ডেভিল হ্যাসবান্ড
Devil Husband💗 part_28 _ স্যার সবকিছুর জন্য সরি,আমি বুঝতে পারি নি আপনাকে এমন সিশুয়েশনে পড়তে হবে _এখানে আপনার কোনো দোষ নেই _ স্যার ম্যাডামের কি হলো _কিছু না মাথা ঘোরাচ্ছে _ অনেক ভালোবাসেন ম্যাডামকে তাই না _হুম অনেক আজকে আসি,আর শুনেন কমিশনারের ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান ইমরান সিনহাকে নিয়ে বাসায় চলে আসে _এখন কেমন লাগছে -হালকা ভালো লাগছে _ রেস্ট নেও সব ঠিক হয়ে যাবে -আপনি যে কমিশনারের ছেলেকে এভাবে মারলেন,এখন ওরা আপনার ক্ষতি করবে নাতো _ওই ছেলের সাহস কী করে হয়,তোমাকে বাজে কথা বলার _তারপরও এভাবে মারা ঠিক হয়নি - চুপ করো তুমি কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক সেটা আমাকে বুঝাতে এসো না(ধমক) ইমরান রুম থেকে বের হয়ে কাউকে ফোন দেয় _ হ্যালো,যতো টাকা লাগে নেও আমার বা আমার পরিবারের যেনো কোনো ক্ষতি না হয় পরেরদিন কমিশনার আসে ইমরানের বাড়িতে,কমিশনার ইমরানকে দেখে তেড়ে আসে _তোর এক্টুও ভয় লাগে নি কমিশনারের ছেলের গায়ে হাত তুলতে,তোকে এর মাসুল দিতে হবে চল আমার সাথে কমিশনার তার সৈন্যদের আদেশ দেয়,ইমরানকে নিয়ে চলতে সৈন্যরা ইমরানকে টাচ করতে _ ডোন্ট টাচ মি(ধমক) _এখনো এতো দেমাগ _ভাইয়া _চুপ ইরিন,কোনো কথা নয় আমি রাতের ভিতরেই ফিরে আসবো সিনহা কিছু বলছে না,শুধু কান্না করছে। এইদিকে আয়ান সব লজ্জা সরম ভুলে ইমরানের বাড়িতে হাজির হয় এসেই দেখে সিনহা ইরিন দুজনেই কাদছে আয়ান ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায় _কী হয়েছে,তোমরা এভাবে কাদছো কেনো আয়ানকে দেখে সিনহা আরো জোরে কেদে উঠে _আরে বলবে তো কী হয়েছে,এভাবে কান্না করার কারন কী(ধমক) আয়ানের ধমক শুনে সিনহা ইরিন দুজনেই চমকে উঠে তারা কখনোই আয়ানের রাগ দেখে নি ইরিন বিয়ের বাড়ি থেকে শুরু করে আজকের ঘটনা খুলে বলে _তোমার ভাইয়ার মাথা এতো গরম হয়ে যায় কেনো,বুঝি না মারছে ভালো কথা,এতো নৃশংস ভাবে মারার কি দরকার ছিল তাও কমিশনারের ছেলেকে,এবার বুঝুক মজা ইরিন সিনহা ভ্যা করে কেদে দেয় _আমি যাই তোমাদের কান্না শুনার ইচ্ছা আমার নাই আয়ান চলে যায় রাত হয়ে গেছে,সিনহা ইরিন মনমরা হয়ে বসে আছে সিনহা আজকে খুব করে তার ডেভিল জামাইকে মিস করছে তার ডেভিল টা এখন কী করছে,কী অবস্থায় আছে কে জানে,ভাবতেই সিনহার কান্না পাচ্ছে কমিশনার মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,তার ছোট মেয়েকে বিকেল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না,এটা কোনোভাবে ইমরানের কাজ নয়তো কমিশনারের মাথায় আগুম জ্বলে উঠে,এটা যদি ইমরানের কাজ হয় আজকেই সে ইমরানকে মেরে ফেলবে কমিশনারের ফোন বেজে উঠে _ হ্যালো _ _কীইই - _ প্লিজ আমার মেয়ের কোনো ক্ষতি করবেন না,আমি ইমরানকে ছেড়ে দিবো - _হুম এক্ষুনি গিয়ে ছেড়ে দিচ্ছি কমিশনার ফোন কেটে থানায় যায় থানায় এসে ইমরানকে মুক্ত করে দেয় -আজকে বেচে গেলি আমার মেয়েকে কিডন্যাপ করে,নেক্সট টাইম আর তোকে বাচিয়ে রাখবো না,মাইন্ড ইট ইমরান অবাক হয়ে যায় কমিশনারের কথা শুনে,তার মেয়েকে সে কখন কিডন্যাপ করলো। ইমরান ঠিকমতো হাটতে পারছে না কমিশনার অনেক মেরেছে তাকে ইমরান এর শেষ দেখে ছাড়বে😠 চলবে. (এই কিডন্যাপার টা আবার কে?)
No comments yet