read.cash Log in
@Safwan more from that month

শুধু তোমাকে চাই৭

#শুধু তোমাকে চাই part : 7 আমি মনে মনে খুশিই হলাম,,,, তাহলে বাঘে বশে এসেছে,,,, ইমাদকে বেলকুনিতে রেখে দরজা আটকে দিলাম,,,,কারণ ছেলে মানুষের বিশ্বাস নেই,,,,, আর বেলকুণির দরজাটা গ্লাসের ভেতর থেকে দেখা যায় এন্ড বাইরে থেকেও দেখা যায়,,,,, . ইমাদ সারাটা রাত বেলকুনিতে কাটিয়ে দিয়েছে,,,, যতবার আমার ঘুম ভেঙ্গেছে দেখি ইমাদ আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,, ফ্লোরে শুয়েছে বেচারা,,,,, বেচারা না,,,, আমাকে জোর করে বিয়ে করার শাস্তি,,,,, সকালে দরজা খুলে দিলাম,,,, ইমাদ মিষ্টি হেসেঁ,,,,, কলিজা ঘুম কেমন হয়েছে??? . আমি ::::::: যেমনি হবে হোক তাতে তোমার কি?? . ইমাদ :::::: এখনো রাগ কমেনি বুঝি,,, আচ্ছা বলো কি করলে আমার জানটার রাগ কমে যাবে,,, . আমি ::::: যা করার তাতে করেই ফেলেছো,,,, এখন আর কিছু হবে না,,, বরং তুমি একটু দূরে দূরে থাকো,,,, খবরদার আমার কাছে আসার চেষ্টা করবে না,,,, . ইমাদের চেহেরাটা মলিন হয়ে গেলো,,, ও যা করেছে তার জন্যে এটাই প্রাপ্য,,,, নাসতার টেবিলে ইমাদের মা ছেলেকে নিজের হাতে খাইয়ে দিচ্ছে,,,, একটা মাত্র ছেলে তো তাই বোধহয় এতোটা ভালোবাসে,,,, পরম যত্নসহকারে ছেলেকে খাইয়ে দিচ্ছেন,,,,, আর আমি মনভরে দেখছি,,,, আমি অবশ্য এতোটা খারাপ নয়,,, তবে ইমাদের সামনে এমন করি ইচ্ছে করে,,,, ওকে কষ্ট দিতে,,,, . ইমাদের মা বললো আমাকে শপিংয়ে নিয়ে অনেক গুলো ড্রেস কিনে দিতে,,, কারণ এসব শাড়ি পড়ে আমি নিজেকে সামলাতে পারিনা,,,, কিন্তু আমি যেতে চাইলাম না ইমাদের মা বললো,,,, ইমাদ নাকি মেয়েদের কাপড় চিনে না,,, আর ও এসব বুঝেও না তাই আমার যা যা দরকার আমি সহ গিয়ে নিয়ে আসতে,,, . মুরুব্বী মানুষ উনি যখন বলছেন উনার উপর কথা বলাটা ঠিক হবেনা তাই না বলিনি,,,, . ইমাদের সাথে শপিং মলে এলাম,,, একটা শপে ঢুকলাম,,, আমি কাপড় দেখছিলাম আর ইমাদ অন্য সাইডে বসে আমাকে দেখছে,,,, একটা শাড়ি আমার পছন্দ হলো,, আর আমি হুট করে বলে ফেললাম,,, এই কালারটা বোধহয় আমাকে মানাবে না,,,,, আর দোকানি ছেলেটা শাড়ির একটা পার্ট ধরে আমার হাতের উপর রেখে বললো,,, আপু দেখেন আপনাকে কত মানিয়েছে,,,, এই কালারে আপনাকে অনেক সুন্দর লাগবে,,,, . আমি চট জলদি হাত সরিয়ে নিলাম,,, ইমাদের দিকে তাকাতেই দেখি ও চোখ লাল লাল করে ঐ দোকানিটাকে দেখছে,,,,, দোকানিটা আবার বলে উঠলো আপু এটা প্যাক করে দিই,,,, আর তখনি দোকানির গালে টাশ করে চড় বসিয়ে দেয় ইমাদ,,,, তোর এত বড় সাহস আমার বউকে টাচ করিস,,,, তারপর,,, আরো মারতে চাইলে অন্যান্যরা ওকে ধরে ফেলে,,,, দোকানের অন্যরা সরি বলে,,,কিন্তু তারপরও ইমাদ শান্ত হয়না,,,, তাই আমি রাগ করে একা একাই বেরিয়ে আসি,,,, খুব অপমান লাগছে আমার,,, এই সামান্য ব্যাপারে এমন সিনক্রিয়েট করতে হয়,,,, . বাসায় এসেও আমি ওর সাথে কথা বলিনি,,,, ইমাদ সবসময় আমার পিছনে লেগে থাকে,,,, আর বারবার মানা করা সত্তেও আমার কাছে আসার চেষ্টা করে,,, আমার খেয়াল রাখে,,, . সেদিন রাতে ইমাদ একটু দেরীতে বাসায় আসে,,,, আর আমি শুয়ে ছিলাম,,, চোখটাও লেগে এসেছিলো,,, কেমন যেনো একটা স্পর্শ পাচ্ছিলাম আমি,,, তাই চোখটা আধা খুলে দেখতেই দেখি ইমাদ আমার কাপড়ে হাত দিয়েছে,,, মনে হয় টানছে,,, আমি লাফ দিয়ে উঠে ওকে ধাক্কা দিই,,, . ছিহ ইমাদ ছিহ,,, তুমি এত নিচ,,,, তোমাকে কতবার বলেছি আমার কাছে আসবে না আর তুমি,,,, . ইমাদ ::::::: আরে হলুদ পাখি কি বলছো তুমি,,,, আমিতো জাস্ট,,, . আমি চিৎকার করে,,, আমিতো জাস্ট কি,,, কি বলো ইমাদ,,, নিজেকে কন্ট্রোল রাখতে পারছো না তাইতো,,, ধৈর্যর বাধ ভেঙ্গে যাচ্ছে তাইনা,,, ওয়েট বলে দরজাটা লক করে দিলাম,,, তারপর ইমাদের সামনে এসে শাড়ির আচলটা ফেলে দিয়ে,,,, এই নাও লোভ সামলাতে পারছো নাতো,,, নাও যেমন ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছে আমাকে ভোগ করো,,,, এই শরীরটার জন্যই তো আমাকে জোর করে বিয়ে করেছো তাইনা,,, নাও নিজের মনোকামনা পূরণ করে,,, আজ তোমাকে সুযোগ দিলাম,,, . ইমাদ আমার গালে পাঁচ আঙ্গুল বসিয়ে দিলো,,,, তারপর শাড়ির আচলটা ঠিক করে দিয়ে বললো,,,, তুমি কিভাবে এটা ভাবতে পারলে সিয়া,,, সেদিন ও তুমি আমাকে এভাবে কথা বলে হার্ট করেছিলে,,, আর আজও এসব নোংরা কথা বলছো,,,,,,, আমি তোমার শরীরকে না তোমাকে ভালোবেসেছি,,,, তারপর নিজের হাত আমার হাতের পাশে রেখে,,,, আমি কি তোমার চাইতে কালো,,, বরং তোমার থেকে ফর্সা আর হাইটেও লম্বা,,,, তাহলে কেনো তোমার প্রতি আমার অন্য বাসনা থাকবে,,, সত্যি সিয়া আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি,,, শুধু তোমাকে চাই,,, তোমার ভালোবাসা চাই,,, তুমি যখন আমায় মেনে নিবে তখনি আমি তোমার কাছে আসবো এর আগে নয়,,, . তারপর ইমাদ রুম থেকে বেরিয়ে গেলো,,,,,,, এর ভেতরে ইমাদকে অনেকটা ভালো লেগে যায় আমার,,,, ওর অনেক ভালো দিক আমার চোখে পড়ে,,,, ইমাদ এলাকার অনেক গরীব কেটে খাওয়া মানুষের আর্থিকভাবে সহায়তা করেছে,,,, পলিটিকসের কাজের পাশাপাশি ও অনেক অনাথ বাচ্ছার পড়াশোনার খরচ বহন করছে,,, ওদের একটা ক্লাব আছে যেখানে সব নেতারা অর্থ দান করে গরীবদের জন্যে,,,, তাইতো ইমাদের মা ছেলেকে অনেক বেশি ভালোবাসেন,,, . ইমাদের মায়ের কাছে ইমাদের ছোটবেলার কথা শুনে আমি হাসতে হাসতে শেষ,,, ও নাকি ছোট বেলায় কালো মানুষদের পছন্দ করতো না,,, কাজের মেয়ের ছেলে কালো ছিলো বলে ইমাদ ওকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়,,, তখন খুব ছোট ছিলো ও,,, ফ্রিজের ভিতর লুকানোর জন্যে বারবার ফ্রিজ খুলে ঢুকতে চাইতো,,,,, আরো কত কি,,,, . ইমাদের সাথে হালকা পাতলা কথা বলি,,, ও আমার একটু কথা শুনার জন্যে অধীর আগ্রহে থাকে,,, তবে ইগনোরটা বেশি করি,,, কিন্তু সেটা ও গায়ে মাখেনা,,,, হঠাৎ ইমাদের বড় চাচার অসুস্হতার খবর শুনে ইমাদের বাবা আর মাকে গ্রামের বাড়ি যেতে হয়,,,,, আমাকে আর ইমাদকে বাসায় রেখে তারা রওনা দেন,,, ইমাদদের গ্রাম নাকি অনেক দূরে,,,, তাই আমাকে নেননি,,,, . দুইটা দিন হয়ে গেলো ইমাদের বাবা মা এখনো আসেনি,,, ইমাদ যা পারে রান্না করে আমাকে খাওয়াচ্ছে,,,, আমি তো মজা হলেও মুখটাকে বাকা করে বলি যত্তসব ফালতু খাবার,,, কিন্তু ও তারপরও আমার জন্যে এটা ওটা বানিয়ে আনে,,, অথচ স্বামীকে আমার সব করে খাওয়ানোর কথা,,,, সেদিন ইমাদের প্রচন্ড জ্বর উঠে,,, সারারাত ঠান্ডার মধ্যে ফ্লোরে ঘুমিয়ে ছিলো কারণ আমি বিছানায় ছিলাম,,,, আমি এত রাতে কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না,,, রাত প্রায় দুটো বাজে,,,, প্রথমে ওর কাছেও যায়নি,,, যখন দেখলাম থরথর করে কাঁপছে আমার সহ্য হলোনা,,, জ্বরপট্টি দিয়েও কাজ হচ্ছেনা,,, ইমাদ জ্বরের ঘোরে আমার হাত জড়িয়ে ধরলো,,, . কেনো জানিনা ওকে এভাবে দেখতে আমার খুব কষ্ট লাগছিলো,,,,, ওর জন্যে স্যুপ করে আনলাম,,,, বেচারা জ্বরের বেগে কিছু খেতেও পারছে না,,,, ওকে নিজের হাতে স্যুপ খাইয়ে দিয়ে ধরে ধরে কোনো ভাবে বিছানায় শুইয়ে দিলাম,,,, এবার আশ্চর্য রকম ভাবে ইমাদ আমাকে জড়িয়ে ধরলো,,, খুব জোরে,,,, আমাকে জড়িয়ে ওর সাথে চেপে ধরলো,,,,,,, আমার পুরো শরীর কাপছিলো,,, ওর বুকের উপর থেকে নিজেকে সরাতে চাইলেও পারছি না,,, এর এক একটা স্পর্শ আমাকে পাগল করে দিচ্ছিলো,,, নিজেকে ছাড়াতে চাইলেও ছাড়াতে পারছি না,,,,, ইমাদ যে শক্ত করে আমায় ধরে রেখেছে,,,,,, যখন ইমাদ আমার ঠোটঁ নিজের অধিকারে নিলো আমিও আর বাধা দিলাম না,,,,,,,, কারণ কিছু করেও লাভ হচ্ছিলো না,,,,, একটা ছেলের সাথে একটা মেয়ে কতক্ষণ পারে,,,, যা হবার কথা ছিলো না তা হয়ে গেলো,,,,,,,,, আমি পারিনি আটকাতে ইমাদকে আর রা নিজেকে,,,,,, . সকালের দিকে ইমাদের শরীরটা অনেকটা সুস্হ হয়ে উঠে,,, রাতে যে এত সেবা করেছিলাম,,, মেডিসিনও দিয়েছিলাম,,, ইমাদ চোখ কচলাতে কচলাতে এদিক ওদিক তাকাতেই যখন দেখলো আমি কর্ণারের সাথে হেলান দিয়ে ফ্লোরে বসে কাদছি ইমাদ অবাক হয়ে যায়,,,, এক লাফে আমার কাছে ছুটে আসে,,,, আমি দুই হাটুর মধ্য খানে মুখ লুকিয়ে কাদছিলাম,,,, এটা কি হয়ে গেলো,,,, এমন তো হবার কথা ছিলো না,,,, . ইমাদ উত্তেজিত হয়ে,,, জান পাখি কি হয়েছে তোমার?? তুমি কাদছো কেনো???? প্লিজ জান বলো আমায়,,,, ইমাদ আমাকে স্পর্শ করতে চাইলে আমি একটু সরে এলাম,,, খবরদার আমাকে স্পর্শ করবে না,,,, তুমি এ নিচ জানা ছিলো না,,,, . ইমাদ ভ্রু কুচকে,,,,,, মানে কি??? আমি আবার কি করলাম,,,, . আমি চোখ রাঙ্গিয়ে বললাম,,,, যা করার তাতো করেই ফেলেছো আবার এখন ন্যাকা সেজে বলছো কি করেছো,,,,,,,, আমি তো জাস্ট তোমার হেল্প করছিলাম,,,,, নিজেকে গুছানোর জন্যে কিছুদিন সময় নিয়েছিলাম আর তুমি সেই সুযোগটাও দিতে পারলে না,,,, কেনো ইমাদ কেনো,,,, এমনটা কেনো করলে আমার সাথে,,,, কথা গুলো বলে বলে কাদতে লাগলাম আমি,,,, . ইমাদ এদিক ওদিক তাকিয়ে,,,, কিন্তু আমি করেছি টা কি,,,, একটু বলো প্লিজ,,,, আমার তো বলতেই আমি শাড়ির আচল সরিয়ে গলার নিচের অংশ আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বললাম,,,, তুমি কি করেছো মনে নেই তাইতো,,, দেখো কি করেছো,,,,, তুমি একটা অমানুষ,,,, তুমি নিজের চাহিদা মেটাতে আমাকে জোর করেছো,,,, একটা কথাও শুনোনি আমার,,,, আমি কত করে মিনুতি করে বললাম,,,,,,,,,,, . ইমাদের সব মনে পড়ে গেলো,,, মাথায় হাত দিয়ে আমার পাশে বসে ছলছল চোখে,,,,, সি,,,সিয়া,,,, আ,,,আমি ইচ্ছে করে কিছু করিনি,,, হয়তো বা নিজের অজান্তে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি,,,, প্লিজ সিয়া আমাকে ক্ষমা করে দাও,,,, আমি কখনো চাইনি তোমায় হার্ট করতে,,,,,,, বিশ্বাস করো,,,, তোমায় তো আমি নিজের চাইতেও বেশি ভালোবাসি,,,,, আম রিয়েলী ভেরী ভেরী সরি সিয়া,,,,, প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দাও,,,, বলতে বলতে আমার হাতের উপর হাত রাখলো,,,, . আমি এক ঝটকায় ইমাদের হাত সরিয়ে,,, ছুবে না আমায় তোমার ঐ নোংরা হাত দিয়ে,,,,, আমার ঘৃন্না হচ্ছে নিজের প্রতি,,,, কেনো পারিনি আমি নিজেকে বাচাতে তোমার হাত থেকে,,,, আমি নিঃস্ব আজ,,,, আমার যে শেষ সম্বলটুকুও তুমি কেড়ে নিলে,,,, তাও জোর করে,,, আমি সোজা ব্যাগ গুছাতে লাগলাম,,,,, . ইমাদ চুপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে,,,, ওর চোখ থেকে টপ টপ করে পানি পড়ছে,,,, হাজার চেস্টা করেও যে ও আমাকে আটকাতে পারছে না,,,, আর কিভাবেই বা পারবে,,, আমাকে আটকানোর অনেক চেষ্টা করেও ইমাদ ব্যর্থ হলো,,,, . বাসায় চলে এসেছি আমি,,,, প্রচন্ড অভিমান আর কষ্টে আমার ভেতরটা জ্বলে যাচ্ছিলো,,,, আম্মু আমাকে একা দেখে ইমাদের কথা জিঙ্গেস করলো,,,,,, বললাম ও পরে আসবে,,,, রুমে এসে আয়নার সামনে বসে নিজেকে দেখছি আর কাদছি,,,, ইমাদ এটা কেনো করলো আমার সাথে,,,,,,,, অন্তত আর কিছুটা দিন আমাকে সময় দিত,,,,, গলার নিচে আচড়ের দাগটা বসে গেছে,,,,,,,, ওখানে সামান্য জ্বলছে,,,,,,, কিন্তু তার চাইতেও মনের ব্যাথাটা বেশি,,,,, বাসায় আসার পর থেকে ইমাদ ফোন দিয়েই যাচ্ছে,,,, কিন্তু আমি রিসিভ করছি না,,, ফোন অফ করে রেখেছি,,,, . দুইটা দিন পর ফোন অন করলাম,,, আর সাথে সাথে ইমাদের ফোন,,,, রিসিভ করলাম,,,, হ্যালো হ্যালো জান পাখিটা,, . কি বলবে বলো,,,, . এতদিন ফোনটা অফ করে রেখেছো কেনো,,,, তুমি জানোনা আমি ফোন দিবো,,,, জানো তোমার সাথে কথা বলতে না পেরে তো আমি মরেই যাচ্ছিলাম,,, . দেখো ইমাদ তোমার সাথে আমার কথা বলার কোনো ইচ্ছে নেই,,,, সেদিনের পর থেকে তুমি সব হারিয়ে ফেলেছো,,,, আমাদের সম্পর্কটা এখানেই শেষ,,,,, . ইমাদের কন্ঠস্বরে কান্নার ভাবটা স্পষ্ট ভাবে বুঝা যাচ্ছে,,,, প্লিজ সিয়া এভাবে বলো না,,,, আমি যে মরে যাবো,,,, তোমাকে ছাড়া আমি মরে যাবো সত্যি বলছি,,,,, প্লিজ সিয়া অভিমান ভুলে গিয়ে ফিরে এসো আমার কাছে,,,, . পাগল নাকি,,,, এসব কি ভুলবার মতো,,,, তুমি যা করেছো তার কোনো ক্ষমা নেই,,,,,,,, আমি যাবো না এটাই আমার ফাইনাল ডিসিশন,,,, . প্লিজ প্লিজ সিয়া,,,, ওকে ওয়েট ভিডিও অন করো,,, . ভিডিও অন করে কি হবে,,,, তোমার ঐ নোংরা মুখটা আমি দেখতে চাই না,,,, . ইমাদ এবার ফুপিয়ে কেদে উঠে,,, প্লিজ কলিজা,,, জাস্ট একটা বার আমার ফোন রিসিভ করে,,,,, তোমার পায়ে পড়ি,,, প্লিজ,,, . খুব আকুতি মিনুতি করে বলছিলো,,, তাই আর না করতে পারলাম না,,,, মেইন কথা হচ্ছে ইমাদের প্রতি আমারো কিন্তু দূর্বলতা আছে,,, কিন্তু তা ওকে বুঝতে দিচ্ছি না,,,, আর আমি ভীষণ বাড়াবাড়ি করছি,,, ও তো আমার স্বামি,,, ওর পুরোপুরি অধিকার আছে আমাকে স্পর্শ করার,,, হোকনা সেটা আমার ইচ্ছেয় বা অনিচ্ছেয়,,,,,, কিন্তু তারপরও কেনো জানিনা আমার কেমন জানি একটা বাধা বিপত্তি কাজ করছে,,,,, . ওর কথাই ভিডিও অন করলাম,,,, একি ওকে দেখে আমার চোখ বড় বড় হয়ে গেছে,,,,, রুমের যতটুকু অংশ দেখা যাচ্ছে সব ত্যাচন্যাচ হয়ে আছে,,,, আর ইমাদের চেহেরাটা কেমন শুকনো শুকনো টাইপের হয়ে গেছে,,,, মনে হচ্ছে দুদিন যাবত কিছুই মুখে দেয়নি,,,,, . সিয়া আই লাভ ইউ,,,, লাভ ইউ ভেরী মাচ,,,, আমি তোমাকে ছাড়া নিজেকে কল্পনা করতে পারিনা,,,, তোমায় ছাড়া আমি সত্যিই মরে যাবো,,, প্লিজ তুমি আমাকে ক্ষমা করে ফিরে এসো,,,,, কথা দিচ্ছি আর কখনো এমন ভুল হবেনা জান,,,, প্লিজ কলিজা ফিরে এসো,,, . আমি রাগীভাবে,,,, এসব নাটক বন্ধ করো,,,, তুমি জানো আমি আর কখনো ফিরবো না কেনো তারপরও এসব করছো,,, আর কখনো ফোন দিবানা,,, ভালো থেকো রাখছি আমি,,, . ইমাদ চিৎকার করে,,,, তোমাকে ছাড়া আমি কিভাবে ভালো থাকবো,,,,, তুমি সত্যিই আমার কাছে ফিরে আসবে না,,,, তাহলে ঠিক আছে আমি নিজেকে শেষ করে দিবো বলেই পাশ থেকে চাকু নিয়ে হাতের উপর রাখলো,,, ঠিক সেই জায়গায় যেখানে আগেও কেটে ছিলো,,, . আমি পাত্তা না দিয়ে বললাম,,,, ওহ ইমাদ প্লিজ এবার অফ যাও,,, এসব ড্রামা দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত,,, . ইমাদ কান্নারত অবস্হায় হেসেঁ দিয়ে,,,, তাই নাকি,,, তাহলে এবার রিয়েলীটি দেখো বলেই গরগর করে চাকু বসিয়ে দিলো,,,, আর ছিটকে রক্ত বেরিয়ে গেলো,,,, আমি চিৎকার করতে করতে দৌড় দিলাম,,,,,, আসলে আমি ভেবেছি ও এমনটা করবে না,,,, এই সামান্য ব্যাপারে কেউ এইসব করে,,,,,,,,, ইমাদের বাসার সামনে আসতেই দেখি ইমাদের বাবা মা দুজনেই গ্রাম থেকে চলে এসেছেন,,,, গাড়ি থেকে নামছেন,,,, আমাকে দেখে বললো,,, কেমন আছো মা?? . আমি উত্তেজিত হয়ে,,,, আংকেল আন্টি,,, ই,,,ইমাদ হাত কেটে ফেলেছে,,,, আংকেলের হাত থেকে মোবাইল আর গাড়ির চাবিটা পড়ে যায়,,,, আন্টি চোখ বড় বড় করে,,,, কোথায় ইমাদ,,, ইমাদ করে চিৎকার দেয়,,,, তারপর দরজা ভেঙ্গে ইমাদেক হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়,,,,,,,,,, চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.