read.cash Log in

@R_P_Emon

Joined 16 September 2020 · 72 posts

I am nobody in the world.

120 KT

0 KT received · 0 KT · 5¢ given

Posts

@R_P_Emon

বিল গেটসকে এক উপস্থাপিকা জিজ্ঞেস করল, "জনাব বিল গেটস, আপনার সফলতার গোপন রহস্য কী?" বিল গেটস উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে একটি ব্ল্যাংক চেক বই সামনে বাড়িয়ে দিয়ে বললো, আপনার যতো ইচ্ছা লিখে নেন। উপস্থাপিকা চেকটি ফিরিয়ে দিলেন এবং প্রশ্নটি আবার করলেন। বিল গেটস আবার চেকটি অফার করলেন। উপস্থাপিকা চেকটি ফিরিয়ে দিলেন এবং প্রশ্নটি আবার করলেন। বিল গেটস উপস্থাপিকার দিকে তাকালেন এবং অবশেষে উত্তর দিলেন। সফলতার গোপন রহস্য হলো, আমি কখনো সুযোগ হাত ছাড়া করি না যেভাবে আপনি এইমাত্র করলেন। আপনার যদি এরকম মাইন্ডসেট থাকত তাহলে আপনি হয়ে যেতেন বিশ্বের সবচেয়ে বিত্তশালী উপস্থাপিকা। চলার পথে যতো সুযোগ আসবে, ছিনিয়ে নিতে হবে। তখনই সফল হওয়া যাবে যখন সুযোগ কাজে লাগিয়ে একশনে যেতে পারবেন। উইলিয়াম আর্থার ওযার্ড বলেন, সুযোগ হল সূর্যোদয়ের মতো। বেশি অপেক্ষা করলে হাতছাড়া হয়ে যায়।

@R_P_Emon

ধরুন আপনার বাবার রক্তশূন্যতা। হিমোগ্লোবিন কমে গেছে। জরুরী রক্ত পরিসঞ্চালন করতে হবে। আপনার বাবা আর আপনি দুজনেই একই রক্তের গ্রুপ। ধরা যাক বি" পজিটিভ। তাহলে নিশ্চয়ই আপনি বাবার জন্য রক্ত দেবেন। এবং সেটা করাই স্বাভাবিক। আপনি বাবাকে রক্ত দিলেন। বাবা একটু সুস্থ। আপনার বেশ ভাল লাগছে। নিজেকে পরিতৃপ্ত মনে হচ্ছে। ১০-১৪ দিন পর আপনার বাবার জ্বর এলো। সাথে আবার রক্ত শূন্যতা, জন্ডিস,ডায়রিয়া,ত্বকে ফোস্কা। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। চিকিৎসা চলছে। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো গেলো না। হঠাৎ এমন অসুস্থ হবার কারণটাও খুঁজে পাওয়া গেলো না। বিষয়টি ভাবুন.... আপনজনের রক্ত পরিসঞ্চালন করার পর TA-GVHD হতে পারে। খুব কম সংখ্যক হয় কিন্তু হলে শতকরা ৯৫ ভাগ মৃত্যু হার। রোগীকে ফিরিয়ে আনা যায় না। তবে ইরেডিয়েটেড করে রক্ত দিলে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। কিন্তু আমাদের দেশে এই ব্যবস্থা সবখানে নেই। অতএব আপনজন ডোনার না হওয়াটাই শ্রেয়। যেমন বাবা,মা, ভাই,বোন,ছেলে,মেয়ে। ------- স্ত্রীর রক্তশূন্যতা। রক্ত লাগবে। আপনি স্বামী। খুব ভালবাসেন স্ত্রীকে। যেহেতু রক্তের গ্রুপ এক,তাই আপনিই রক্ত দিলেন। এবার আপনার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। বাচ্চাটা বেড়ে উঠছে জঠরে। আপনি জানেনও না আপনার দেওয়া রক্তের অন্য কোনো এন্টিজেনের বিরূদ্ধে এন্টিবডি তৈরী হয়ে আছে আপনার স্ত্রীর শরীরে। প্লাসেন্টা দিয়ে সেই এন্টিবডি বাচ্চার শরীরে যাচ্ছে এবং লোহিত রক্ত কণিকা ভাঙছে। এটা হিমোলাইটিক ডিজিজ অব নিউবর্ন। বাচ্চা প্রসবের পর তার এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন লাগছে। বাচ্চাটাকে নিয়ে টানাটানি চলছে। অতএব প্রজনন বয়সে স্বামী স্ত্রীকে রক্ত দেওয়া থেকে বিরত থাকাই উপায়। ----- আপনি জানেনও না আপনার শরীরে থ্যলাসেমিয়া নামক অসুখের জিন আছে। কারণ আপনি মাইনর বা ট্রেইট। আপনার বিয়ের সময় অবশ্যই যার সাথে বিয়ে তার থ্যালাসেমিয়া আছে কিনা জেনে নিন। কারণ আপনার একটু রক্তশূন্যতা হওয়ায় পরীক্ষায় পাওয়া গেছে আপনি এই জিন বহন করছেন। বিপদটা কোথায়? আপনি এবং আপনার স্ত্রী দুজনই যদি এই জিন বহন করেন তবে বংশধরেরা এটা পাবে। এবং কেউ না কেউ হয়তো রোগটাকে নিয়ে জন্মগ্রহণ করবে। তাকে ৩/৪ মাস পর পর রক্ত পরিসঞ্চালন করতে হবে। তার সাথে আরো কত বিষয় জড়িত! ----- রক্তপরিসঞ্চালন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী। এটা কোনো টনিক নয়, স্যালাইনও নয়। শরীরের জীবিত কোষ প্রতিস্থাপন। নানানরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। প্রয়োজন ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। আরো অনেকভাবে চিকিৎসা করা যায়। ফারহানা ইসলাম সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

@R_P_Emon

Do you think today is a bad day for KXIP?I was damn sure about the winning of KXIP.

@R_P_Emon

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন, "(মুত্তাকী হলো) যারা না দেখে (আল্লাহ্‌র প্রতি) বিশ্বাস স্থাপন করে, নামায প্রতিষ্ঠা করে, আমার দেয়া রিযিক থেকে ব্যয় করে; এবং (হে রাসূল,) যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে সেসব বিষয়ের প্রতি যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আর যারা পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস করে; তাঁরাই তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সুপথপ্রাপ্ত এবং সফলকাম।" [সূরা বাকারা: ২-৫]

@R_P_Emon

স্টুডেন্ট এর সুন্নাতে খৎনা(মুসলমানি) হবে। আন্টি দাওয়াত দিলো। গিয়ে দেখি ছাত্র ভয়ে কাঁপতেছে। আন্টি আমাকে বললেন, ওকে একটু বুঝাও। আমি ওর পাশে গিয়ে বললাম, - সিফাত; ভাই আমার, ভয়ের কিছু নেই এটা কাটতেই হয়। ব্যাথা পাওয়া যায়না। - স্যার, আমার নুন্টু কাটলে আমি হিসু করবো কী দিয়ে? - আরে বোকা! নুন্টু কাটবেনা। সামান্য একটু চামড়া কেটে ফেলবে উপর থেকে। - আপনার কাটছে? - হ্যাঁ আমারো কাটছে। - কই দেখান তো? কতটুকু কাটছে আমি দেখবো। আন্টি সামনে বসে আছে। ডাক্তার সাহেবও বসে আছেন। আমি এক মুহুর্তের মধ্যে 'থ' হয়ে গিয়েছি। এটা কী করে সম্ভব! - চুপ করো। এটা দেখানো যাবেনা। আমি বড় হয়েছি। এটা লজ্জার ব্যাপার। - তাহলে আমি কাটবোনা। আম্মু, আমি নুন্টু কাটবোনা। ডাক্তার আংকেল আপনি চলে যান। অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়েও ওকে রাজি করানো যায়নি। আন্টি আমাকে বললেন, বাবা তুমিও তো ছেলে মানুষ আমার ছেলেটাও ছেলে মানুষ। ওকে একবার দেখাও। দেখলেই ও বুঝতে পারবে। আন্টির কথা শুনে আমার আকাশ থেকে ভেঙে পড়ার মত অবস্থা হলো। - কি যে বলেন আন্টি। এটা কীভাবে সম্ভব। এটা তো লজ্জার ব্যাপার। আমি এটা পারবোনা। আন্টি আমাকে রিকোয়েস্ট করা ছাড়তেই পারলেন না। ডাক্তার সাহেবও বললেন, তুমি তো সবে মাত্র অনার্সে। এখন এত লজ্জা কিসের। ওকে একবার দেখাও। ও কোনোমতে দেখে বুঝতে পারবে যে আসলে মুসলমানি মানে পুরো নুন্টু কাটা না। আমি বসে রইলাম। আর বারবার নিজেকে ভৎর্সনা দিতে লাগলাম 'কেনো এই দাওয়াত খেতে এলাম' বলে। লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাচ্ছিলো। ঘরভর্তি মানুষ। স্টুডেন্ট এর খালামনি সদ্য এস এস সি পাশ করা মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি কি বলি এটা দেখার জন্যে তারা সবাই আমার মুখের দিকে চেয়ে আছে। এই লজ্জার কাজ আমি করতে পারবোনা। একটা বাচ্চা ছেলের সামনে আমার ইজ্জতভ্রষ্ট হবে তা কখনোই আমি মেনে নিতে পারবোনা। তাই অনেক ভেবে বললাম। - সিফাত, বিশ্বাস করো মুসলমানি করলে পুরো নুন্টু কেটে ফেলে। আমারটাও কেটে ফেলছে। কীভাবে দেখবা? নাই তো। ডাক্তার সাহেবকে জিজ্ঞেস করে দেখো। ওনারটাও নেই। এই বলে আমি চলে এলাম। ও ভয়ে কান্না শুরু করে দিলো। পরেরদিন ঐ বাসার পাশের আরেকটা টিউশনে যেতে গিয়ে দেখি সিফাতের হাতে লুঙি উঁচু করে ধরে রাখা। বেচারা ডাক্তার হয়তো নিজের ইজ্জত উৎসর্গ করে দিয়েছে এই সিফাতের খৎনার জন্যে।

@R_P_Emon

⌚ঘড়ি পরেন নিশ্চই? ✋কোন হাতে? বাম হাতে নাকি ডান হাতে❓ উত্তরটা যদি হয় বাম হাতে, তাহলে আপনার জন্য প্রশ্ন, কেনো বাম হাতে ঘড়ি পরেন? নিশ্চই কোন উত্তর হবে সবাই পরে তাই আমিও পরি। প্রথম যখন ঘড়ি আবিস্কার হয় তখন হাতে পরার কথা কেউ চিন্তাও করেনি। মানে হাতে ঘড়ি রেখে সময় দেখার ব্যাপারটা। তখন ঘড়ি রাখা হত পকেটে। তাহলে কিভাবে এই ঘড়ি আমাদের হাতের কব্জিতে তার জায়গা করে নিলো, এবং কেনো বাম হাতেই? কিন্তু এর পেছনে রয়েছে এক মজার ইতিহাস। বোর যুদ্ধের সময় যখন আমেরিকান সৈনিকরা দক্ষিন আফ্রিকার রিপাবলিক ধ্বংস করতে নামে, তখন একদল সৈনিক চামড়ার স্ট্রাপে ঘড়ি আটকে কবজিতে পরা শুরু করে। কারন তাদের মূল লক্ষ ছিলো মিলিটারি অপারেশনের প্রত্যেকটা মিনিট নথিবদ্ধ করা। আর এমনটা করতে গেলে তাদের বার বার পকেট থেকে ঘড়ি বের করতে হত। যেটা যুদ্ধের ময়দানে টাইম কিলার ছিলো। কিন্তু বাম হাতে কেনো, কারন পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ডানহাতি, এবং তারা ডান হাতে কাজ করতে সাচ্ছন্দবোধ করে। ডান হাতে ঘড়ি পরলে কাজ বন্ধ করে সময় দেখতে হত তাছাড়া সেই সময় ঘড়ি ছিলো খুবই ভঙ্গুর, তাই কিছুটা বাধ্য হয়েও বাম হাতেই পরতে হতো। কিন্তু এই অভ্যাসটা আমাদের মাসল মেমোরিতে পরিনত হয়। �তবে মজার কথা হচ্ছে, শারীরিক গঠন অনুযায়ী, বিজ্ঞান বলে ছেলেদের ডান হাতে ও মেয়েদের বাম হাতে ঘড়ি পরা উচিৎ। কিন্তু এই নিয়মটা কেউ মানেনা।

@R_P_Emon

বিল দিয়ে বাচ্চার লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় রোগীর বাবা কান্নার গলায় বললেন, "আব্বারা, আমার কাছে এই মুহুর্তে সব টাকা নেই। বাড়িতে আছে। আপনারা একটা এম্বুলেন্স দেন আর একজন লোক দেন। বাচ্চার লাশ নিয়ে বাড়িতে যাই। আপনার লোক এর হাতে বিল দিয়ে ফেরত পাঠায় দিবো। এম্বুলেন্স খরচা দরকার হলে আমি দিবো।" এরকম আব্দারে না করা যায় না। একজন ওয়ার্ড বয় দিয়ে হাসপাতালের এম্বুলেন্স পাঠানো হলো। এম্বুলেন্স এ করে তারা সাভারে তাদের বাড়ী তে নিয়ে গেলো। বিশাল বাড়ী। লাশ নিয়ে ভদ্রলোক ভেতরে গেলেন। এর আধা ঘন্টা পর লোকজন ডেকে এম্বুলেন্স এর ড্রাইভার আর সেই ওয়ার্ড বয় কে শক্ত মার দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দিলেন। "শালারা, রোগী বাচাইতে পারলি না আবার টাকা চাস?" ওয়ার্ড বয়ের হাত ভেঙেছিলো। এরপর থেকে হাসপাতালের নিয়ম হলো, যতই কান্দুক, বিল না নিয়ে লাশ নিতে পারবে না, নিজেও বের হতে পারবে না। আরেকটি গল্প, এ রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা অতি ক্ষীন। বাচ্চার বাবা বলছেন তিনি গরীব মানুষ, ICU এর খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন নিয়ম মাফিক ICU এর বিল তিনি ক্লিয়ার করতে পারছেন না। জমি জমা বেচে একবারে বিল দিবেন। তার করুন অবস্থায় সবার ই মায়া হলো। "আহা বেচারা, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করার ইচ্ছা আছে, কিন্তু সামর্থ নাই"। হাসপাতাল থেকে তার বিল অনেক কমানো হলো। নার্স ডাক্তার রা ঔষধ ব্যবহারে নিজেদের স্টক থেকে অনেক ঔষধ দিলো। ডাক্তার রা ল্যাব এর সাথে কথা বলে অনেক টেস্ট গোপনে করে দিলো বিনে পয়সায়। নার্স-ডাক্তার রা চাদা তুলে বেশ কিছু ঔষধ ও টেস্টের বিল দিতে সাহায্য করলো। বড় স্যার কথাবার্তা বলে সরকারী হাসপাতাল এ ফ্রি সীট ব্যবস্থা করে দিতে চাইলো, কিন্তু রোগীর বাবা রাজী হলেন না। তিনি যেভাবে সম্ভব বিল দিবেন, তাও এখানের সেবাই নিবেন। বাচ্চাটা যে হয়তো বাঁচবে না তা সে বুঝতে পারছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখে ছাড়বে। আলহামদুলিল্লাহ, ৫ দিন পর বাচ্চাটির শারিরীক উন্নতি দেখা গেলো। ৯ দিনের দিন বাচ্চা এতই সুস্থ্য হয়ে গেলো যে আমরা ছুটি দিয়ে দিলাম হাসপাতাল থেকে। গরীব মানুষ দেখে হাসপাতাল তার বিল আরও অনেক কমিয়ে অর্ধেক করলো। ছুটি দেবার ঘন্টাখানেক পর বাচ্চার বাবা হাসপাতাল এ একাউন্টস রুম এ অস্ত্রধারী কয়েকজন কে নিয়ে ঢুকে কি কি করলো জানি না, কিন্তু একটা পয়সা না দিয়ে চলে গেলো কিছুক্ষন পরেই। এরপর থেকে একাউন্ট বিভাগে আরো নিষ্ঠুর লোক বসানো হলো যে কোন দয়া মায়া করবে না। সি সি ক্যামেরা লাগানো এবং থানার সাথে বন্দোবস্ত করার চিন্তাভাবনাও শুরু করলো কর্তৃপক্ষ। ডাক্তার নার্স রা সিদ্ধান্ত নিলো, যতই গরীব হোক আর ভিখারী হোক, পয়সা ছাড়া কথা হবে না কোন। তৃতীয় আরেকটি গল্প বলে শেষ করি, এক বৃদ্ধ তার নাতী কে ভর্তী করেছিলেন আই.সি.ইউ তে। মায়ের পেটে শিশু থাকে প্রায় ৯ মাস। কিন্তু তার নাতিকে সাড়ে ছয় মাস পরেই মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য সিজার করে বের করা লেগেছে। ভর্তী নেওয়ার সময়ই বলে নিয়েছিলাম এরকম বাচ্চা বাঁচার খুবই কম সম্ভাবনা। সেই কম সম্ভাবনা নিয়েই রাজী হতে হবে। বৃদ্ধ রাজী হয়েছেন। চার বছর চেষ্টা করে আল্লাহ তাকে নাতি দিয়েছে। সে বাঁচাতে চায়, সম্পত্তি বিক্রি করে দিবে, তাও চিকিৎসা থামাবে না। বৃদ্ধর সে নাতি কে আমরা ১ মাস ৮ দিন চিকিৎসা দিয়েছি। আগের ঘটনা গুলো থেকে হাসপাতাল শিখেছে। তাই এক পয়সাও ডিসকাউন্ট করা হয় নি বৃদ্ধ কে। কেউ তাঁর একটা পয়সা বাঁচাতে চায় নি। যখন যে টেস্ট দরকার মনে হয়েছে, নগদ টাকা নিয়ে করানো হয়েছে। নগদ জমা না দেওয়ার আগ পর্যন্ত যাতে টেস্ট না করাই সেই অর্ডার অফিস থেকে দিয়ে রাখা হয়েছে ল্যাব এ। ডাক্তার নার্স রাও অফিসের চোখ ফাকি দিয়ে কোন সাহায্য করি নি। প্রতিদিন বৃদ্ধ তার নাতির শারিরীক উন্নতি অবনতি শুনতেন। একই সাথে আশান্বিত ও নিরাশ হতেন। ১ মাস ৮ দিনের দিন বাচ্চাটা মারা গেলো। এতদিনের ICU এর বিল হলো বিশাল একটা অংক। বৃদ্ধ অফিসে বললো, আমার হাতে টাকা নেই, আমি নিয়ে আসি। অফিস কঠিন মুখে বলল, "না আপনি যাবেন না আর আপনার নাতির লাশ টাও ছাড়বো না। আগে টাকা দেন, তারপর যাবেন" দু ঘন্টা পর বৃদ্ধ টাকা আনালো। বিল তো দিলেনই, পাশাপাশি সব খালা বুয়া ওয়ার্ড বয়দের তাদে পরিশ্রমের জন্য এক্সট্রা অনেক বড় বকশিশ দিলেন। মাথায় হাত দিয়ে তাদের দোয়া করলেন । নার্স দেরও এক্সট্রা টাকা দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তারা নেয় নি। তিনি ডাক্তারদের কে তাদের চেষ্টার জন্য হাত তুলে দোয়া দিলেন। ছোট্ট একটা তুলার চাদরে মুড়ে চোখ মুছতে মুছতে তার একমাত্র নাতির লাশ নিয়ে গেলেন বাড়িতে দাফনের জন্য। গল্প শেষ। গল্পের তেমন কোন মোরাল নেই। খালি ভাবি, দুনিয়ার নিয়ম বড়ই বিচিত্র। এক জনের ভুলের বোঝা দশজন নিষ্পাপ কে বয়ে বেড়াতে হয়।

@R_P_Emon

খুব কষ্ট পেয়েছিলাম সেদিন যেদিন আড়াল থেকে শ্বশুরকে বলতে শুনেছিলাম, "কী এক বৌমা আনলাম, না আছে রুপ না আছে গুন আর না আছে বংশ মর্যাদা"। আরও কষ্ট পাচ্ছিলাম যখন শুনলাম আমার শ্বাশুড়ি ভাশুর আর ভাশুরের বউ ও শ্বশুর এর সাথে সুর মেলাচ্ছিল। নিজেকে তখন ঐ পরিবেশে বড্ড বেমানান আর অসহায় লাগছিল। ভেতরটা দুমরে মুচরে যাচ্ছিলো কিন্তু প্রকাশ করলাম না। আমার জা আমার থেকে সুন্দরী আর বয়স কম এই নিয়ে শ্বাশুড়ির অভিযোগের শেষ ছিল না। আমি তানিয়া। এমবিএ পড়ছি। বয়স ২৫। তানিমকে ভালোবেসে ছিলাম ঠিকই কিন্তু বিয়ে করেছিলাম দুই পরিবারের সম্মতিতে। তানিমের পরিবার প্রথমে রাজী না হলেও পরে রাজী হন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই কারণে অকারণে তুচ্ছ বিষয় নিয়েও কথা শুনাতে ছাড় দিত না। তাদের অভিযোগ গুলু ছিল এমন যে আমি বড় বউ এর মতন দুধে আলতা নই। আমার বয়স বড় বউ এর চেয়ে ৫ বছর বেশি। আমার বাবার অনেক টাকা নাই। আর তার চেয়েও বড় কথা আমি আর তানিম সমবয়সী। যেখানে তানিম আর আমার কোনো সমস্যা ছিল না সেখানে পুরো পরিবার আমার বিরুদ্ধে। তানিম আর আমার বোঝাপড়াটা বেশ ছিল। সে কখনোই আমাকে অবহেলা করেনি। যতটা ভালো বিয়ের আগে বাসতো তার চেয়ে আরও অনেক বেশি এখন বাসে। আমার শত কষ্ট আমি ভুলে যেতাম তানিমকে আকড়ে ধরে। যতদিন যাচ্ছিল ততই তাদের কথা শুনানোর মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল। আমি কখনই তানিমকে এসব জানাতাম না, আমি চাইতাম না তাকে মেন্টালি প্রেশার দিতে। নিজের মধ্যেই চেপে রাখতাম। কখনোই আলাদা হবার কথাও বলতাম না। অনেক চেষ্টা করতাম সবার মন জয় করার। আমার চেয়ে ছোট হওয়া স্বত্বেও জা এর সাথে সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য তার সব কাজও আমি করে দিতাম। বন্ধু হতে চাইতাম কিন্তু পারছিলাম না। প্রতিনিয়ত শুনতে হতো তানিম আরও ভালো মেয়ে ডিজার্ব করে। শ্বাশুড়ি আর জা এক হয়ে আমাকে প্রতি নিয়ত কষ্ট দিত। পরিবার নিয়ে কথা শুনাতো। বাবা মা বেড়াতে আসলে তাদেরকেও ছাড় দিত না। তানিমের রোজগার কম বলেও কথা শুনাতো। বড় ছেলে আর তার বউ কে নিয়ে তার গর্বের সীমা ছিল না। মুখ থুবরে কাদতাম। আল্লাহকে ডাকতাম। এরই মধ্যে এমবিএ শেষ করে তানিম আর আমি জব এপ্লাই শুরু করলাম। তানিমের একটি বেসরকারি কোম্পানীতে ভালো পদে চাকরী হলেও আমার হচ্ছিল না। হতাশ হই নি, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। জবের কথা শুনেই সবার মাথা গরম, ঘরের বউ বাইরে চাকরি করলে ছেলেকে টাইম দিতে পারবেনা। চাকরী ওয়ালা মেয়েদের সংসার টিকেনা। আল্লাহর রহমতে আমার একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে চাকরী হয়। আমি আর তানিম আলাদা বাসা নিয়ে ঢাকায় অফিসের পাশেই ভাড়া থাকতে শুরু করলাম। নিজেদের মত করে সংসার শুরু করলাম। দুজনই দুজনের বাবা মায়ের খরচ স্বরুপ সাধ্যমত টাকা পাঠাতাম। এরই মধ্যে ঘর আলো করে আমার সন্তান রিয়াম জন্মালো। আমার শ্বশুড় বাড়ির কেউ দেখতে এলো না। আমি নিজে ছেলেকে নিয়ে তার দাদা দাদীকে দেখালাম। সেদিন ও তারা কথা শুনাতে ছাড়ল না। বলল চাকরী ওয়ালা মেয়েরা কখনোই ভালো মা হতে পারে না। কষ্ট পেয়েছিলাম কিন্তু উত্তর দেইনি। বেয়াদবি করিনি। তানিমকে তার পিতামাতার প্রতি দায়িত্ব পালনে কখনোই বাধা দেইনি। বরং নিজ থেকে তাদের সকল অভিমান ভাঙ্গানোর চেষ্টা করতাম। কিন্তু পারিনি। না আমি পারিনি সংসার জীবনের ২৫ টি বছর পাড় করেও আমি ভালো বৌ মা হতে পারিনি। তবে হ্যা ভালো মা হতে পেরেছি। আমার ছেলে আজ দশ জনের একজন। একজন ক্যাপ্টেন এর মা হতে পেরে আমি গর্বিত। হুম চাইলেই সেদিন শ্বাশুড়িকে বলতে পারতাম, আপনার বড় ছেলের বউ হয়তো দেখতেই সুন্দর কিন্তু তার যোগ্যতা কি? তার নিজের কোনো পরিচয় আছে? গ্রাডুয়েশন আছে? ভালো পজিশন ভালো চাকরি কি আছে? তার সন্তানেরা কি মানুষ হতে পেরেছে? ভালো বিবেক কি তার আছে? বাবার পরিচয় বাবার টাকায় গর্বের কিছু নেই। হয়ত ভালো বৌ মা হতে পারিনি। কিন্তু দিনশেষে ভালো স্ত্রী আদর্শ মা হতে পেরেছি। এটাই হয়ত আমার নারী জীবনের সার্থকতা।

@R_P_Emon

লিওনেল মেসি সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিলিওনার জগতে পা রাখলেন। অভিনন্দন লিও। #LM10 #GOAT

@R_P_Emon

Messi enters into the Billionaire world. Leo Messi is the Youngest Footballer to Become Billionaire.‼️💵 Congratulations Leo ❤️ #LM10

@R_P_Emon

What the colour of urine says about health ♣TRANSPARENT - Sign of overhydration. A person has been drinking a little too much water. ♣PALE YELLOW - Means a person is healthy and hydrated. ♣TRANSPARENT YELLOW - Normal ♣DARK YELLOW - Normal but needs to drink more water. ♣BROWNISH ORANGE - Sign of dehydration or a possible sign of liver disease. ♣PINKISH RED - Possibly a sign of kidney disease,UTI or tumor. ♣BLUE OR GREEN - Sign of rare genetic disease. ♣FOAMY - Sign of kidney disease.

@R_P_Emon

Sunset Assalamualaikum. I am sharing photo of sunset which I have captured recently.It's really looking so beautiful.The reddish and sweet sun is amazing which indicates the softness.I think it's the weakness of the strongest sun.what would you say?I really love this time.Thanks to you all.

@R_P_Emon

Bandarban Murang Jhirih Bandarban Murang Jhirih Great waterfall, great trail, great experience, adventure. How to go, Those traveling from outside Bandarban district can rent CNG or Mahindra Reserve from Satkania Keranihat. If you reserve, rent it for the whole trip. Try to make the price within 500 rupees through bargaining. And maybe one will go to the local and take 40 rupees. Tell the driver to lower the head in the middle of the road. The pure name is Majher Para, the locals call it Majhar Para. If you reserve, you will go directly to where the trail to the waterfall will start. Those who go to the locals will go down to the head of the road in the middle and there is a tomtom car and will take ten rupees per person. If you say twenty rupees, ten rupees will be taken away. Tomtom will take you to the Headman neighborhood and your trail will start from there. Trail like about an hour. If you take pictures in the middle, it will take a little more time. আছে There are some wholesale vegetable shops before the ghat in Headman Para. And there are a few tea shops. You can buy some dry food from there. After crossing the small market you will find a small river. You have to proceed along the opposite bank of the river. If it is difficult to recognize, you can find out from the locals. If necessary, you can take a guide with twenty rupees. After a while the two roads split on either side of the river like a "Y", keep going along the road on the right hand side. From then on, your trail will be difficult. We felt like we were fighting with rocks. So go very carefully. You have to step safely. If you continue on the road on the right hand side, you will find this natural waterfall called "Murang Jhiri". There is another fountain on the left side of the road but it is not so beautiful but Jhiri is beautiful.

@R_P_Emon

🍒ফল গাছ থেকে আসে না। বিশ্বাস না হলে কেটে দেখুন, কাঠ ছাড়া কিছুই পাবেন না। 🌾ফসল মাটি থেকে উৎপন্ন হয় না। বিশ্বাস না হলে খনন করেন, শুধু মাটি ছাড়া কিছুই পাবেন না। 🥛দুধ গাভী থেকে আসে না। বিশ্বাস না হলে কেটে দেখুন, রক্ত মাংস গোবর ছাড়া কিছুই পাবেন না। ❤️সবই রাজ্জাক, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের রহমতের ছায়া থেকে আসে। শুধু তাদের উসিলা বানানো হয়।

@R_P_Emon

The sea beach I have visited The sea beach of Bashkhali few days ago.It is just awesome.Here I took this photograph which I share with all of you.I am a newbie.Please support and encourage me.Thank you all.

@R_P_Emon

The First artificial kidney Inventor Shubh Roy ✴ Bangladeshi scientist Shubh Roy has created the world's first artificial kidney. This is one of the outstanding achievements in medicine. Shubh Roy, an associate professor at the University of California, started making artificial kidneys with his colleagues 10 years ago. In September of this year, the team at the University of California announced that they had succeeded in creating an artificial kidney and replacing it with another animal's body. Shubh Roy thinks that in the next five years, it will be possible to transplant it into human beings after testing it by transplanting it to different animals more widely. Every year, 16 million people in Bangladesh are affected by kidney disease in one way or another. Of these, about 40,000 patients have complete kidney failure each year, of which about 30,000 die. Both kidney transplantation and dialysis are extremely expensive for patients with kidney failure. Again, dialysis works only 13 percent of the original kidney. Kidney transplantation is the best treatment for complex kidney disease. However, the biggest problem with kidney transplantation is the lack of donors. Happy judgment -------- Scientist Shubh Roy's village home is in Chittagong. Shubh Roy is a Micro Electro Mechanical Systems Technology Developing Specialist. Earlier, he received the Top Hundred Innovator 2003 award from the Massachusetts Institute of Technology.

@R_P_Emon

success or failure Two stories 1. Yahoo offered to buy Google at a nominal price but did not buy. 2. Nokia turned down an offer to buy Android. Teachings 1. Keep yourself updated over time, or you'll be labeled as obsolete. 2. Not taking any risk is a big risk. Take new risks and stay updated all the time. Two more stories 1. Google has bought two potential projects, YouTube and Android. 2. Bought on Facebook, Instagram and WhatsApp. Teachings 1. Try to become stronger by connecting with the enemy without hating him. 2. Go fast and try to resist the enemy. Two more stories 1. Barack Obama was an ice cream vendor. 2. Elon Musk was a locker room guard. Teachings 1. Do not verify the person through his previous work. 2. Your present condition cannot determine your future. Your efforts and hard work determine the future. Two more stories 1. Colonel Sanders founded the KFC at the age of 65. 2. Jack's mother applied for a job at KFC but did not get the job because she felt less qualified. Teachings 1. Age is just a number, you can be successful at any age. 2. Never give up. Those who accept are the losers. The last two stories 1. The owner of Ferrari insulted a tractor maker. 2. Lamborghini founded the manufacturer of that tractor. Teachings 1. Do not despise anyone. 2. Success is the best revenge. You can be successful at any age. No age or background is mandatory for this.

@R_P_Emon

How to trade bitcoin cryptocurrency for beginners Here is a quick beginner's guide on how to start investing and trading cryptocurrency. Please understand that this is a high risk market and you should not invest more than what you are willing to lose. ************************************* To Buy Your First Bitcoin, I recommend these Wallets and exchanges: 🔗Coinbase: https://www.coinbase.com/join/igbuku_f?src=android-link 🔗Luno: https://www.luno.com/invite/RCR64 🔗Binance: https://www.binance.com/en/register?ref=YU59CL69 🔗Paxful: https://paxful.com/?r=RGzQvBDzKQA&track=BitcoinInvestment They are all available on Android, iOS, and Desktop. HOW TO INVEST, watch this video on our Facebook post: https://www.facebook.com/1703970956586608/posts/2523376737979355/ To know more on how bitcoin works, please watch this video made on our Facebook page here: https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2129264030723963&id=1703970956586608 ************************** If you find this information useful, click the SHARE button and hit the 👍 up. Questions? Ask in the comment section. WARNING: Avoid scammers in the comment section! We will never ask you to join any Telegram group or request money from you. Use only approved and legit wallets listed above ***************

@R_P_Emon

স্ত্রী "অফিসে এসে চেয়ারে বসতেই আমার স্ত্রীর কল।কল রিসিভ করলাম আমি।আজ বউয়ের কন্ঠ কেমন অস্বাভাবিক লাগছিল।খুব মলিন কন্ঠে বলে... - অফিসে ঠিক ভাবে পৌঁছেন।দুপুরে সময় করে টিফিন খেয়ে নিবেন। বিয়ের ৩ বছর হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের ভালোবাসার একটুও কমে নাই।অফিসে পৌঁছানোর পর শুধু কল করে জিঙ্গাসা করছে পৌঁছেছি কিনা, কখনো বলে না দুপুরে খেয়ে নিবেন।বরং সে দুপুরেই কল করে বলতো খেয়েছি নাকি! কপাল ভাঁজ করে বলি... - তুমি ঠিক আছো তো। - হুম, আমি ঠিক আছি।আপনি সময় মতো খেয়ে নিবেন।বেশি রাত করে ফিরবেন না।তারাতারি আসার চেষ্টা করবেন। - তুমি কি একটু লুকাচ্ছো।তোমার কন্ঠ অন্য দিনের থেকে আজ ভিন্ন রকম শুনাচ্ছে।তুমি কি অসুস্থ? আমার প্রশ্নে তোতলাতে থাকে সে।আমতা আমতা করে বলে... - একটু অসুস্থ।তুমি চিন্তা করো না।ঔষধ নিছি ঠিক হয়ে যাবো। . দুপুরের টিফিন ব্রেকে বসের সাথে দেখা করি।আমাকে দেখতেই সে বসতে বলে।আমি অল্প নড়েচড়ে বসে বললাম... - স্যার আজ একটু আগেই ছুটিটা ফেলে খুশি হতাম।আমার স্ত্রী অসুস্থ। - বুঝলাম না! আপনার স্ত্রী অসুস্থ আপনি বাসায় যেয়ে করবেন কি? স্ত্রীর সাথে কি হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবেন নাকি। কোনো কিছু না ভেবেই আমি "হ্যাঁ" বলে দিলাম।স্যার একটু মুচকি হাসলো।তারপর হাসি আটকে রাখার চেষ্টা করে বলল... - আপনি কি জানেন আপনার এখনো প্রোমোশন হয় নায় কেন? - জি স্যার কারণ আমি মাঝে-মাঝেই অফিস ছুটি নিয়ে থাকি।কোনো কোনো দিন অফিসে আসিই না।বেয়াদপি মাপ করবেন স্যার কিন্তু এটাই সত্য প্রতিটা মেয়েরই মাসে এমন একটা সময় যায় যখন তাদের কাজ করতে অসুবিধা হয়।সেই দিনটা তাদের একটু রেস্টের দরকার।একটা মেয়ে কখনোই তার পরিবারকে ছেড়ে শুধু মাত্র দুই মুঠো ভাতের জন্য অচেনা একজনের সাথে সংসার করতে আসেনা।বিয়ে মানে হলো জীবন সঙ্গী যাকে সারা জীবন নিজের পাশে পাওয়া যাবে।বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে মনোবল দেবে।বাবা মাও এক সময় শরীরিক ভাবে দূর্বল হয়ে যায় তখন তারা আপনি অসুস্থ হলে সেবা করতে পারবে না।আপনার যেমন একজন খোঁজ নেবার মতো মানুষ দরকার একটা মেয়েরও তেমনি একটা বিশ্বস্ত মানুষ দরকার যাকে বাঁকি জীবন বিশ্বাস করা যাবে। স্যার কোনো উত্তর খুঁজে না পেয়ে ছুটি দিয়ে দিলো।হাসি মুখে অফিসে থেকে বের হলাম।সংসার জীবনে মাসে কিছু দিন বউয়ের বদলে নিজে কাজ করলে সম্মান হানি হয় না বরং স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।বিয়ের আগে প্রতিদিন অফিসে যাবার আগে আর পরে কাজ করতে হতো এখন মাসে কয়েকটা দিন কাজ করলে ক্ষতি কি। . এর কিছু দিন পর অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে চুড়ি পছন্দ করতেছিলাম।স্যার আমাকে দেখেই গাড়ি থেকে নেমে কাঁধে হাত রাখে... - চুড়ি কিনছো এগুলোও কি আপনার স্ত্রীর সাথে পরে সংসার সামলাবেন নাকি? কথাটা বলেই স্যার 'হা হা" করে হেসে দেয়। আমি আবারও মৃদু হাসলাম।চুড়ি কিনেছি দুই জোড়া একটা বেগুনী আর অন্যটা গাঢ় নীল।অবাক চোখে তাকিয়ে বলে স্যার... - এতগুলো চুড়ি আপনার স্ত্রী একদিনে পড়বে।অযথা টাকার অপচয় করছেন। - সামান্য কিছু টাকা খরচে যদি সংসারে শান্তি আসে তাহলে একটু খরচ করলে কোনো ক্ষতি নেয়।উল্টো লাভ হবে। ভ্রুকুঁচকে তাকায়। - কিভাবে? আমি এক জোড়া চুড়ি স্যারের হাতে ধরিয়ে দিলাম।আমতা আমতা করছিল।চুড়ি সম্ভবতো সে তার অফিসের একটা সাধারণ কর্মচারীর থেকে নিজে লজ্জা বোধ করছে।মুচকি হেসে বলি... - সোনার রং হলো হলুদ।সোনার নেকলেস, সোনার চুড়ি একই জিনিস বার বার কিনে দিলে এক সময় বিরক্ত লাগা শুরু হয়।মাঝে-মাঝে ভিন্ন রকম কিছু ট্রাই করতে হয় কিন্তু যদি এক মাস পর পর সাত রঙ্গের চুড়ির একটা একটা করে মাস দিয়ে থাকেন তাহলে আপনার কপাল খুলে গেলো।বউ খুশি তো সংসারে শান্তি।বাসায় গেলে প্রতিদিন নতুন নতুন আইটেমের খাবার। . পর দিন সকালে অফিসে যেতে স্যারের রুমে দেখা করতে বলল।বুকের ভেতরের পানি শূন্য হয়ে গেলো।এবার বুঝি চাকরিটা গেলো নতুন চাকরি খোঁজার সময়ে গেছে।স্যারের স্ত্রী মনে হয়ে কাঁচের চুড়িতে খুশি না।খুশি হবেই বা কেন, অফিসের বসের স্ত্রী বলে কথা।চেয়ারের বসতে বলে স্যার।হ্যান্ডশেক করে হাসি মাখা মুখে বলে... - আপনার তো প্রোমোশন হয়ে গেলো।আপনাদের ভাবীকে কোনো দিন হাসি মুখে দেখেনি।দেখেন আপনার ভাবী আজ হঠাৎ এই প্রথম টিফিন বক্স দিয়ে গেলো।

@R_P_Emon

Whatsapp Group I have just wanted to start a whatsapp read cash group. The group will be informative.We all can know the new and unknown things about various things.What will you say guys?Can I start?Please suggest me more help about this group.Thank you all♥.

@R_P_Emon

I am Emon from Bangladesh. I am just a beginner in this site. I think this group must help us in various way.We need to show more activity.one day it will turn a renowned group.As a starter, we can hope the members will remain beside us. Please support me what you all can.Thank you all members and readers.

@R_P_Emon

Can every pro user suggest how we can gain more point in a day,please?

@R_P_Emon

নব্বই দশকের প্রেমগুলো ছিল অসাধারণ, বারান্দা থেকে বারান্দা ছিল লুকোচুরি দেখার খেলা... দূর থেকে এক পলক দেখলেই এক সপ্তাহ পার করা যেত...... একটা চিঠি নিয়ে সারাদিন বসে থাকা যেত, চিঠি লিখতে গিয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে লিখতে হতো ভালোবাসি, স্টাপলারের পিন দিয়ে লুকাতে হতো চিঠি, রাস্তায় হঠাৎ সামনে পড়ে গেলে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেত, মাঝে মাঝে জামার রং মিলে গেলে খুব খুশির বন্যা বয়ে যেত, জানালার পাশে ঘাপটি মেরে বসে থাকা যেত ঘন্টার পর ঘন্টা.... যেদিন তাকে দেখা সেদিনই ক্যালেন্ডারে লাল দাগটা আপনাআপনি পড়ে যেত, স্কুলের সামনে একদিন না দেখতে পেলে বুকটা মোচড় দিয়ে উঠতো, অভিমানী ঠোঁটটা ফুলে উঠতো, স্কুলের টেবিলে তো (ব+ল) লেখাই থাকতো , ডায়রীর পাতা ভরা থাকতো শুধু ভালোবাসার কথা আর গান, ছোট ছোট কথাগুলো ডায়রীর পাতায় টুকে রাখতে হতো, ঈদের দিন সকালে তাকে দেখে তবেই ঈদের জামাটা পড়া লাগতো .... কি সুন্দর ছিল দিনগুলো, আর ফিরে আসবে না কখনো।

@R_P_Emon

মুুরগির বাচ্চা তার মাকে জিজ্ঞাসা করলো "মা মানুষের জন্ম হলে তাদের নামকরণ হয়, কিন্তু আমাদের হয়না কেন?" ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ ▼ মুরগির মা বললো "বেটা আমাদের সমাজে নামকরণ হয় মরার পরে।যেমন>>> চিকেন তন্দুরি চিকেন বিরিয়ানি চিকেন পাকোড়া চিকেন চিলি চিকেন টিক্কা চিকেন রোল চিকেন কড়াই চিকেন ফ্রাইড চিকেন চাপ চিকেন স্যান্ডউইচ চিকেন স্যুপ চিকেন বার্গার ইত্যাদি [মুরগির বাচ্চা বেহুশ]

@R_P_Emon

Rain Rain drops in the glass which is captured.Really the weather is so amazing inn the rainy time.Who will enjoy the rainy day and How will enjoy? share with us in the comment box.

@R_P_Emon

Natural beauty It is a Tea Garden of Bangladesh which a small country of Asia.Bangladesh has huge natural beauty site.It is also a greeny country.

@R_P_Emon

🌸প্রথম কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কারক "শুভ রায়"। 🌸বাংলাদেশের বিজ্ঞানী শুভ রায় বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেছেন। এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক অসামান্য কীর্তি। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সহযোগী অধ্যাপক শুভ রায় ১০ বছর আগে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে কৃত্রিম কিডনি তৈরির কাজ শুরু করেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দলটি ঘোষণা দেয়, তারা কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে তা অন্য প্রাণীর দেহে প্রতিস্থাপন করে সফল হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে আরো ব্যাপকভাবে বিভিন্ন প্রাণীতে প্রতিস্থাপন করে পরীক্ষার পর এটি মানবদেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন শুভ রায়। 🌸বাংলাদেশে প্রতিবছর এক কোটি ৮০ লাখ লোক কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার রোগীর কিডনি সম্পূর্ণরূপে বিকল হয়, যাদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার রোগীই মারা যায়। কিডনি বিকল রোগীদের কিডনি সংযোজন ও ডায়ালাইসিস দুটোই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আবার ডায়ালাইসিস আসল কিডনির মাত্র ১৩ ভাগ কাজ করে। জটিল কিডনি রোগের তাই কিডনি প্রতিস্থাপনই সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা। তবে কিডনি সংযোজনের বড় সমস্যা দাতার অভাব। 🌸বিজ্ঞানী শুভ রায়ের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে। শুভ রায় মাইক্রো ইলেকট্রো মেকানিক্যাল সিস্টেম টেকনোলজি ডেভেলপিং স্পেশালিস্ট। এর আগে ম্যাসাচুসেটসের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির টপ হানড্রেড ইনোভেটর ২০০৩ অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।

@R_P_Emon

আমাদের ইলিশ, ভারতের পেয়াজ! আমাদের দেশের পেয়াজের চাহিদা ৩৩ লক্ষ টন, অথচ উৎপন্ন হয় ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টন! প্রতি বছর প্রায় ৮ লক্ষ টন ঘাটতি | এটা আমার কথা নয়, স্ট্যাটিস্টিক্স তাই বলছে | ফ্যাক্ট ১ ভারতের বাজারেও মৌসুমের শেষদিকে পেয়াজ অনেক উচ্চ দাম হয়ে যায়, তাই তারাও রপ্তানি বন্ধ করে দেয় নিজেদের বাজার স্থিতিশীল রাখতে! নিজের ভালো পাগল ও চায়, আর এখানে তো ভারত (প্রতিবেশীদের সাথে সবসময় পন্ডিতি করা স্বভাব এদের, Except CHINA)!! ফ্যাক্ট ২ নিজেদের ঘাটতি ৮ লক্ষ টন আমাদের নিজেদেরই উৎপাদন বাড়ানো উচিত, নাহলে অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে বাজার গরম হবেই! প্রয়োজনে কৃষকদের ভর্তুকি দিতে হবে এই ঘাটতি মেটাতে। তারপরো প্রতিবছরের উৎপাদন ৩৫ লক্ষ টনে নিয়ে ঠেকাতে হবে। বাকিটা আমরা মৌসুমের শেষদিকে উচ্চদামে রপ্তানি করবো (এটা আমার স্বপ্ন) | ফ্যাক্ট ৩ আওয়ার হিলসা ইজ নট ফ্রি এট অল! ভারত সেটা পেইড করেই নেয়। তবে পূজা উপলক্ষে আমরাও দাম ২/৩ গুন বাড়াতে পারি চাইলে। বিজনেস স্ট্র্যাটিজি!! পৃথিবীর প্রায় ৮৬% ইলিশের যোগানদাতা কিন্তু আমরাই! বুঝতে হবে! ফ্যাক্ট ৪ আমরা ইলিশ দিলাম, দাদারা পেয়াজ দিচ্ছে না! এটা থেকে বের হয়ে আসা উচিত। কেননা ইলিশ আর পেয়াজ কোনোটাই ফ্রি না! আমরা ইলিশ রপ্তানি করবো, এটা আমাদের ক্রেডিট! আর পেয়াজের জন্য পাশের দেশের উপর নির্ভরশীলতা আমাদের ডিসক্রেডিট।

@R_P_Emon

Who will win in today's IPL match? Mumbai Indians or Chennai Superkings??? Mi (162-9) 20 overs Csk (105-2) 14 overs Csk need 58 in 36 balls.... Guess....who will win? ♥

@R_P_Emon

ডাক্তার বন্ধুর ফার্মেসিতে কয়েকদিন হলো বসে থাকি। ওর ঔষধ বিক্রি করা দেখি। অত্র এলাকায় বন্ধু আমার নামকরা ডাক্তার। অনেক সুন্দরী মেয়েও আসে। বন্ধু ফার্মেসিতে ছিলনা, এক মুরুব্বি বলল.... --বাবা আমায় ঔষধ দাও। -চাচা আমিতো ডাক্তার না, আমি ডাক্তারের বন্ধু। --তো কি হইছে তুমি ঔষধ দাও। -আমিতো ঔষধ চিনিনা। চাচার মনে হয় তাড়া ছিল বেশ! রেগে গিয়ে বলল.... -তো কি চেনো? আমি মুচকি হেসে বললাম.... --আপনার হয়েছে কি? -আর বইলনা ক'দিন থেকে ঠিকমতো টয়লেট হচ্ছেনা। --মানে? -আরে অনেক কষা! আমার ছেলে বিচি কলা নিয়ে এসেছিলো। সেগুলো খেয়েই এই অবস্থা! চাচার কথা শুনে নিজের ছোট বেলার কথা মনে পরে গেলো। চাচা আবার বলল.... --আগে ঔষধ দাওতো। আমি এক পাতা নাপা, আর এক পাতা মায়াবড়ি দিয়ে দিলাম। চাচা তাই নিয়ে খুশিতে চলে গেলো। নিজের মধ্যে অলরেডি ডাক্তার ডাক্তার ভাব আসছে। আস্তে আস্তে রোগিও আসছে। এক বৃদ্ধ আসলো উনার মাথা ব্যাথা, উনাকে প্যারাসিটামল দিলাম। এক মহিলা আসলো উনার উঠতে বসতে কোমড়ে ব্যাথা। উনাকে নাপা দিলাম। একজন আসলো গলা ব্যথা নিয়ে উনাকেও নাপা দিলাম। এভাবে পাতলা পায়খানা, সর্দিকাশি, হাঁটু ব্যথা, মাথা ঝিম ধরে প্রত্যেককে নাপা দিলাম। এক মেয়ে আসলো গোপন সমস্যা নিয়ে। কানে কানে বলল। আমি ওকে রুচির সিরাপ দিলাম। মেয়েটা হতবাক, ওকে অবাক করে দিয়ে দুটো নাপা দিয়ে বললাম.... -এখনি টুপ করে খেয়ে ফেলো সমস্যা ক্লিয়ার। মেয়েটা ঔষধ খেয়ে চলে গেলো। আরেক মেয়ে আসলো, ওর নাকি বুক ধরফর করে। আমি বুকে কান পেতে শুনলাম শব্দ কেমন! তারপর তাকেও নাপা দিলাম। এক ছেলে আসলো, তার পা কেটে গেছে। নাপা ট্যাবলেট গুড়া করে কাঁটা অংশে দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিলাম। তারপর তিনবেলার জন্য দুটো মায়াবড়ি আর একটা করে নাপা দিলাম। ছেলেটা খুশি হয়ে চলে গেলো। ভাবছি এরপর যে কেউ আসুক সবাইকেই নাপা দিব। টিউমারের রোগিকেও নাপা, ক্যান্সার হলেও নাপা৷ পাইলস হলেও নাপা৷ দাঁত ব্যথা তবুও নাপা। করোনার হলেও নাপা! মোটকথা নাপার উপর কোন ঔষধ নাই। জাতীয় ফল যেমন কাঁঠাল, জাতীয় ঔষধ তেমন নাপা। . . #নাপা_সমাচার (অনুগল্প, রম্য)