read.cash Log in
@R_P_Emon

Gamophobia,Gelotophobia,Enochloohobia,Agoraphobia,ADHD,Major Depressive Disorder, Bipolar disorder. 🙂🙂🙂🙂 ⚫Gamophobia: ফিয়ার অফ কমিটমেন্ট। তারা কোন কমিটমেন্টে যেতে পারে না। তারা নিজ হাতে নিজের রিলেশন নষ্ট করে। হোক তা বন্ধুত্ব, হোক তা প্রেম ভালবাসা। আমরা দোষারোপ করি মানুষটাকে। কিন্তু কি কারনে তার কমিটমেন্ট ফোবিয়া তা খুজলে দেখবেন তার শৈশব খুব রাফ ছিলো। এবিউজড হয়েছে শৈশবে। কিংবা ধাক্কা খেয়েছে জীবনে অনেক। এর প্রতিকার ছিলো, কিন্তু আমরা এড়িয়ে গেছি তা। ⚫Gelotophobia: মানুষ আপনাকে দেখে তাচ্ছিল্যের হাসি দিবে, এই ভয়। এটা একটা সোশ্যাল ফোবিয়া। অনেকটা মানুষ হাসবে ভেবে কত কাজ জীবনে করা হয়নি তা ভাব্লেই বুঝবেন। ⚫Enochlophobia;মানুষের ভিড়কে প্রচণ্ড ভয় পাওয়া। আমার নিজের এই ফোবিয়া আছে। ⚫Agoraphobia; ওপেন স্পেসে যাওয়ানিয়ে ভয়। নিজেকে আটকে রাখা রুমের ভেতর। এটা অনেক মুভি সিনেমায় দেখায়। নিজেকে আবদ্ধ করে রাখে নিজের কমফোরট জোনে। আরো বহু ফোবিয়া আছে। বাকি আরও আছে ডিজঅর্ডার। আমাদের দেশে আজ পর্যন্ত অসুস্থতা মানে শারীরিক অসুস্থতা বলে ধরে নেয়া হয়। কিন্তু মানসিক অসুস্থতাও যে এক ধরনের রোগ, তা আমরা আজও প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি মানুষের কাছে। আমাদের দেশে মানসিক সমস্যা মানেই পাগল। ⚫ADHD- Attention deficit hyperactivity disorder। খুব খেয়াল করে দেখবেন, আপনার বাচ্চা কন্সানট্রেট করে না পড়াশুনায়। এমনকি খুব কঠিন ভাবে চাপ দিচ্ছেন আপনি, তাও পারছে না। খুব ইজিলি সে ডিস্ট্রাক্টেড হচ্ছে। ভুলে যাচ্ছে রাবার পেন্সিল এমনকি হোমওয়ার্ক এর খাতা ব্যাগে ঢুকাতে। অংক করতে গিয়ে অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত হচ্ছে। শুধু ছটফট করছে বাচ্চা, এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে সেখানে। বাইরের দেশে পুরো গাইডলাইন আছে এই ডিজঅর্ডার খুঁজে বের করার জন্য। অনেকের শৈশবের পরেও এই কন্ডিশন পারসিস্ট করে। তারা মন বসাতে পারে না অফিসের কাজে। খুব আগ্রহ নিয়ে একটা কাজে ঢুকে আরেক কাজে ব্যস্ত হয়। ১৯০২ সালে এই রোগ নিয়ে পরিষ্কার আলোচনা হয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের বইয়ে বিশদ আলোচনা আছে। কিন্তু আমাদের হেডেক নাই। ⚫Anxiety disorder। কত রকমের যে এংজাইটি ডিজঅর্ডার আছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। কতবার পরীক্ষার হলে যাননি ভয়ে, দুশ্চিন্তায়? ভাইভা হলে ভাইভা দিতে হবে ভেবে পরীক্ষা দিতেই যাননি। রুম কিংবা হল ভর্তি মানুষের সামনে কিছু বলতে গিয়ে বুক ধড়ফড় করে, পালস বেড়ে, ঘেমে নেয়ে পালিয়েছেন অজুহাত দিয়ে। প্যানিকড হয়েছেন ডিপার্টমেন্ট হেড আপনাকে তলব করেছে তাই। ফোবিয়াতে ভুগেছেন বিভিন্ন। এগুলো নিয়ে কাজ হচ্ছে বাইরে। এগুলাও আমলে নিতে হবে বলে জার্নাল প্রকাশিত হচ্ছে। মানসিক অসুস্থতা হিসেবে এরাও চিকিৎসা পাচ্ছে। কিন্তু আমরা আজও পিছিয়ে। ⚫Obsessive–compulsive disorder। এটা নিয়ে হাসাহাসি করা হয়। লেম্যান টার্মে এটার সোজা সাপ্টা বাংলা মিনিং, শুচিবায়ু রোগ। হ্যা, বার বার পরিষ্কার করা কিছু। সব গুছগাছ রাখার অবসেশন। বার বার হাত ধোয়ার কমপালশন। আমার পরিচিত একজন আপেল লাক্স সাবান দিয়ে ধুয়ে খেত। বার বার হাত ধুতে ধুতে হাতে ঘা হয়ে গেছে এমন পরিচিত মানুষও আছে। সব গুছগাছ করতে গিয়ে প্লেন মিস করেছেন এমন লোকও আছেন। আবার ট্রেন যদি মিস হয়ে যায়, এই ভেবে ট্রেন ছাড়ার তিন ঘণ্টা আগে স্টেশনে বসে থাকা মানুষও আছে। ⚫Major depressive disorder। বিষণ্ণতা ঘিরে থাকে সব সময়। কোন কাজে এনার্জি পাওয়া যায় না। কোন কিছুতে ইন্টারেস্ট পান না। নিজের প্রতি নিজের ঘৃনা চলে আসে। নিজেকে লুজার মনে হয়। খাওয়া দাওয়া, ঘুম সব উলটে পাল্টে যায়। আত্মঘাতী চিন্তা মাথায় আসে। অনেকে এটেমপ্ট নেয়, অনেকে সফলও হয়। অনেকে চলে যায় বিপথে। আসক্ত হয় সাময়িক সুখ দেবার কোন ড্রাগ হ্যাবিটে। কিন্তু এই ইলনেসস থেকে উত্তরণের উপায় যে খুব সহজ তা কেউ বাতলে দেয় না। সাইকোথেরাপি সহ আরও অনেক উপায় আছে। কিন্তু হতাশা বিষণ্ণতা আজও আমাদের বেশির ভাগের কাছে রোগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ⚫Bipolar disorder। বাই মানে দুই। এই রোগের দুইটা ফেজ। ম্যানিক ফেজ আর ডিপ্রেসিভ ফেজ। ম্যানিক ফেজে আপনার অনেক কিছু করতে ইচ্ছা হবে। খুব ফুর্তিতে থাকবেন। বকবক করতেই থাকবেন। অনেক আইডিয়া বের হবে মাথা দিয়ে। অন্য রকম উদ্দীপনা মনের ভেতর। আর তারপরই আসবে ডিপ্রেসিভ ফেজ। সব কিছু উধাও। কিছু ভালো লাগে না। সব কিছু ডাল আর বোরিং। আজও আমাদের দেশে মানসিক রোগী মানে দিগম্বর হয়ে রাস্তায় না ঘোরা পর্যন্ত হয় না। আজও মানসিক রোগ পুষে রেখে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে চাইল্ড সাইকোলজি। এই দিকটায় যদি আমরা একটু সচেতন হই, রাতারাতি না হোক অনেক কিছুতেই পরিবর্তন আসবে। ডিপ্রেশন, এংজাইটি, ফোবিয়া কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আমাদের। ফেসবুকে হতাশা প্রকাশ করা অনেককে নিয়েও আমরা হাসাহাসি করি। কিন্তু সামান্য কাউন্সেলিং, সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট। দরকারবোধে মেডিসিন। কিন্তু না, উই ইগনোরড দ্যাট

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.