read.cash Log in
@Ostina1 more from that month

জান্নাত জাহান্নাম কেয়ামত

আমাদের অনেক ভাই বোনদের প্রায় বলতে দেখা যায় জান্নাতে গেলে এই করব, সেই করব!জান্নাতে অমুকের প্রতিবেশি হব, তমুকের সাথে আড্ডা দিব। আল্লাহ আমাকে জান্নাত দিবেন ইনশা আল্লাহ! কত রকমের প্লান! আমাদের সবার অন্তরে জান্নাতের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকবে এটা প্রশংসনীয়। বাট ওভার কনফিডেন্স নিয়ে এই কথাগুলো বলা যতটা সহজ জান্নাতে যাওয়ার উপযোগী হওয়ার মত নিজেকে যোগ্য বানানো, সে অনুযায়ী আমল করা ততটাই কঠিন।দিনশেষে আমাদের দ্বীনদারীতা ফেবুকে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় যেনো সীমাবদ্ধ থেকে না যায়!যেখানে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীগণ কবরের আযাবের ভয়ে, জাহান্নামের ভয়ে, কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলিয়ে ফেলতেন। . স্বয়ং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিনি সমস্ত মানবকূলের মধ্যে সবার আগে জান্নাতে পা রাখবেন-রাতের সালাতে দাঁড়িয়ে তার পা মোবারক ফুলে রক্তবর্ণ হয়ে যেত।প্রতিদিন তিনি কমপক্ষে সত্তর বার ইস্তেগফার পড়তেন। আবু বকর (রাঃ) এর মত সাহাবী যিনি এই উম্মতের মধ্যে সবার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। তিনি সালাতে দাঁড়ালে বাচ্চাদের মত কাঁদতেন। তিনি প্রায় সময় বলতেন,'' হায়!আমার যদি জন্মই না হতো! আমি যদি ঘাস-লতা পাতা হয়ে যেতাম। . জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত আরেক সাহাবী উসমান (রাঃ) কবরের কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে দাড়ি ভিজিয়ে ফেলতেন। উমার (রাঃ) এর মত সাহাবী সর্বদায় নিজের মধ্যে নিফাকের ভয় করতেন! দুনিয়ার সমস্ত সম্পদের বিনিময়ে মৃত্যু যন্ত্রনা থেকে রেহাই পাওয়ার কামনা করতেন! . আর আমরা...? এমন ভাবলেশহীন যেনো জান্নাতের সার্টিফিকেট আমাদের হাতে চলে এসেছে! প্রকৃতপক্ষে নিজেদের এমন ওভার কনফিডেন্সে আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত। .

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.