#বিয়ে
একটা মেয়ের যখন ১৯ পেরিয়ে ২০ বছরে পা রাখে তখনি তার মা বাবা মেয়ের বিয়ের চিন্তা ভাবনা করে। আর প্রতিটা মেয়ের এই বিয়ে নিয়ে কিছু না কিছু আশা বা স্বপ্ন থাকে। সেটা কারো জন্য বেশি বা কারো জন্য একটু কম। যেহেতু বিয়েটা ছেলে মেয়ে উভয়কে নিয়ে তাই এই এটা সবার জন্যই আশাজনক। আমি যেহেতু একটা মেয়ে তাই আমি মেয়েলী বিষয়টাই বলি। একটা মেয়ের জন্য বিয়ে যতটা আনন্দের অন্যদিকে ততোটাই কষ্টকর। ছোটবেলা থেকে যাদের কাছে বড় হওয়া আর পৃথিবীর সব থেকে আপন মানুষ মা-বাবাকে হারানোর কষ্টটা শুধু মেয়েরাই বুঝে। আবার একটা নতুন পরিবেশ আর নতুন মানুষের সাথে জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ন অধ্যায় শুরুর একটা অদ্ভুত অনুভূতি আর আনন্দ সেটাও শুধু মেয়েরাই বুঝে। এই জীবনের মাঝের একটা সেতুবন্ধন হিসেবে একজন হয়ে উঠে সব থেকে কাছের একজন মানুষ। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে সেই মানুষটি হয়ে যায় জীবনসঙ্গী। আর একটা মেয়ের জন্য এইটাই সব থেকে বড় চাওয়া বা পাওনা হয়ে থাকে সৃষ্টিকর্তার কাছে। এই মানুষটাকে নিয়েই একটা মেয়ের সব থেকে বেশি আশা থাকে। প্রতিটা মেয়েইই চায় তার LIFE PARTNER পৃথিবীর সবথেকে loving & caring হবে। তাকে সম্মান করবে, তার জীবনের সব প্রতিকূল পরিবেশে তার পাশে থাকবে। মেয়েটা সেই মানুষটার জীবনে most important person হবে। মেয়েটারর জীবনের সকল অক্ষমতাকে সক্ষম করতে সাহায্য করবে। তার জীবনের সব নানা পারা কাজ গুলোর সাথে পরিচিত হতে সবচেয়ে ববেশি পাশে থাকবে। নতুন পরিবেশ আর অনেক গুলো নতুন মানুষের সাথে মানিয়ে নেওয়াটা যতটা কঠিন, একজন নতুন মানুষের সাথে পরিবেশ আর অনেকগুলো মানুষ ঠিক তত টাই সহজে মানিয়ে নিতে পারে। আমরা প্রতিটা মানুষই perfect নই। কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতিতে না পারা অনেক কিছু শেখা হয়ে যায়। কেউ বা একটু তাড়াতাড়ি কেউ একটু দেরি করে। বিয়ে এমন একটা সম্পর্ক, যার পরে একটা মেয়ে একটুকরো নরম মাটির মতো হয়ে যায়। যে সেটাকে যেই আকারে রূপ দেয়, সারাজীবন মেয়েটি সেই আকারেই থাকে। তবে হাতের পাঁচটা আঙ্গুল যেমন সমান নয়, তেমন সব মেয়ের স্বভাবটাও এক না। কেউ একটু রাগী, বা কেউ একদম সরল। কিন্তু সব থেকে রাগী মেয়েটাও সব থেকে বেশি সংসারী হয়ে যায়। মূলত, তার মনে কে কিভাবে জায়গা করেছে, সেটাই মুখ্য। কারণ, একটা বাচ্চা যেমন সদ্যজন্ম নেওয়ার পর কাউকে চিনতে পারে না ঠিক তেমনি মেয়েটাও, এক একজনের আচরন আর কথার মাধুর্যতায় প্রতিটা মানুষকে সে চিনতে পারে । আর সেই ভাবেই সে তার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে..।।
No comments yet