সুইস ব্যাংকে টাকার পাহাড়
ধনীদের অর্থ গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহুযুগের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের এই ব্যাংকটি।গত 200 বছর ধরে ব্যাংকিং সেবার কেন্দ্র ইউরোপের এই দেশ টি। 80 লক্ষ মানুষের দেশে ব্যাংক সংখ্যা 246 টি। গ্রাহকের নাম পরিচয় গোপন রাখতে তারা খুবই কঠোর। ধারণা করা হয় অবৈধ আর কর ফাঁকি দিয়ে জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে। বর্তমানে সব দেশেই দুর্নীতির সংখ্যা অতিরিক্ত হারে বেড়েছে। একে অন্যকে ব্যাপকভাবে ঠকাচ্ছে। এবং এইসব কালো টাকা রাখা হচ্ছে ইউরোপের এই দেশটিতে। বর্তমানে তারা নির্দিষ্ট তথ্য না দিলেও দেশভিত্তিক আমানতের কথা প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে মানুষ যে হারে আমানত রাখত শেয়ারে এখন আর রাখছে না। কারণ তারা দেশভিত্তিক হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করলেও গ্রাহকদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। আর সমস্যা হবেই বা না কেন কারন তাদের তো সবই কালো টাকা। আগের তুলনায় পাকিস্তানের আমানত কমেছে এক-তৃতীয়াংশ, এবং ভারতের অর্ধেক কমেছে আগের তুলনায়। 2019 সালে বাংলাদেশর আমানত ছিল সাড়ে 5 হাজার কোটি টাকা।এবং এই বছরে সে হার কমেছে ব্যাপক পরিমাণে। এবার বাংলাদেশ থেকে সুইস ব্যাংকে আমানত রেখেছে 1030 কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছে সুইজারল্যান্ডের গোপনীয়তা কমাই এই ব্যাংকের এমন পরিস্থিতি হচ্ছে। বর্তমানে এই ব্যাংকের দিকে মানুষ তেমন একটা যাচ্ছে না, এখন মানুষ টাকা জমা রাখার জন্য পাড়ি জমাচ্ছে ব্রিটেন,আমেরিকা,পানামা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
2 comments
it's the main thing.... they've black money so they ate turning towards others
Hmm,appu thanks