প্রাণীজগতের আত্মরক্ষার কৌশল,, প্রতিটি প্রাণীই আত্মরক্ষার কিছু কৌশল আয়ত্ব করে থাকে।মানুষদের মধ্যে মনুষ্যত্ব, জ্ঞান -বিবেক থাকে তাই তাদের কথা আলাদা।কিন্তুু অন্যান্য প্রাণীজগতে তাদেরকে কৌশল শিখতে হয়।কারণ সেখানে বড় প্রাণীগুলো ছোট প্রাণীদেরকে খেয়ে ফেলে।আবার অনেক ক্ষেত্রে ছোট প্রাণীগুলোও মেরে ফেলতে পারে ছোটদেরকে।তাই তাদেরকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। প্রাণীদের অবলম্বনকৃত কিছু কৌশল যেমনঃ চোখে দেখাঃ প্রথমে তারা চোখে দেখে শনাক্ত করতে চায় প্রাণীটা তার চাইতে বড় না কি ছোট।শুধু বড় হইলেই যে খেয়ে ফেলবে আর ছোট হইলেই যে কোনো ক্ষতি করবে না তা কিন্তুু না।তাই তারা যে কোনো প্রণীর পা,গায়ের রং,দেহ থেকে নিঃসৃত বস্তু সবকিছুই তাদের চোখ দিয়ে দেখে পর্যবেক্ষণ করে। নিঃসৃত রাসায়নিক দ্রব্যঃ বিভিন্ন প্রাণী তাদের দেহ থেকে রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে থাকে।এইটা হচ্ছে এইসব প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।তাদের এসব নিঃসৃত পদার্থ দেখে অপর প্রাণীরাও বুঝতে পারে এই প্রণীটা তাদের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর। আর এসব প্রাণীও রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে অন্য প্রাণীদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। শ্রবন ও স্পর্শঃ বিভিন্ন ধরণের প্রাণী বিভিন্ন রকম শব্দ তৈরী করে থাকে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বোঝার জন্য।প্রাণীরা এসব শব্দ অনুধাবন করে বুঝতে পারে কে ক্ষতিকর আর কে না। স্পর্শও আরেকটা মাধ্যম ক্ষতিকর প্রাণী চেনার। প্রকৃতিতে টিকে থাকার জন্য এসব কৌশল তাদেরকে প্রকৃতিগত ভাবেই শিখে নিতে হয়।
Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.
2 comments
প্রানীদের মত মানুষের ও আত্নরক্ষার কৌশল শিখে নেয়া উচিত।কারন অনেক মানুষ এখন হিংস্রতার বশে প্রানীর মত আচরন করে
ঠিকি বলেছেন। মনুষ্যত্ব হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন।