সড়ক দুর্ঘটনা, বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে আমরা সবাই করোনাই জীবন হারানো নিয়ে বেশি শঙ্কিত।আমরা ভুলেই গেছি শত-শত মানুষ এখনো মারা যাচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনাই।কেউ সাবধান নই আমরা সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে। সবচাইতে বেশি আমরা দেখি মোটরবাইক দুর্ঘটনা। সম্প্রতি ঘটনাগুলোতে আমরা দেখছি যে, কম বয়সী কিশোর রা সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে বেশি।এমন অনেক ঘটনা আছে যা আমার আপনজনের সাথে ঘটেছে আবার চোখের সামনেও দেখেছি অনেকের এ বিপত্তি। আজকে আমার জানা একটা ঘটনা শেয়ার করি আপনাদের সাথে।। আমি যখন মেসে থাকতাম, তখন শহরের মধ্যে পাঁচতলা বাড়িওয়ালা একটা অ্যান্টিকে চিনতাম আমরা সবাই।মেসটা তাদেরই বানানো। এইটা বলার কারণ হচ্ছে আমি বলতে চাইছি তারা বেশ বিত্তবান ছিলেন।অর্থের কোনো অভাব ছিল না তাদের। তাদের সন্তান একটাই ছেলে।অনেক আদর যত্নে বড় করছে ছেলেকে।কিন্তুু অনেক সময় বেশি আদর ছেলেকে মানুষ নয় বরং বেয়াড়া ছেলেও বানিয়ে দিতে পারে।অত্যন্ত জেদি মেজাজের হয়ে ওঠল ছেলেটা।যা চাইবে তা দিতে বাবা-মাকে বাধ্য করাই ছিল তার কাজ।যাকে বলে অতিরিক্ত আঁদর বানিয়েছে বাঁদড়।বাবা-মা কিছু না দিতে চাইলেই আত্মহত্যা করার হুমকি দিত তাদের।আর একটামাত্র ছেলে হারানোর ভয়ে তার সবকিছু অন্যায় আবদার হলেও মেনে নিতেই হতো তার মা-বাবার। এবার মাত্র স্কুল ছেরে কলেজে পা রেখেছে ছেলে।আবদার তার একটা বাইক চায়।বাবা-মা অনেক বুঝানোর চেষ্টা করল বাবা ভার্সিটিতে যাও তখন কেনে দেব। কে শোনে কার কথা।ছেলের খাওয়া বন্ধ,কারোর সাথে কথা বলেনা তার বাইক চাই ই চায়।অনেক অশান্তির সমাপ্তি ঘটিয়ে বাবা কিনে আনলেন তার ছেলের জন্য নতুন বাইক।ছেলেও খুশি পরেরদিন থেকে বাইক চালিয়ে কলেজে যাবে সে। পরেরদিন যথারীতি ছেলে গেলেন নতুন বাইক নিয়ে কলেজে।কিন্তুু আর বাইক নিয়ে ঘরে ফেরা হলনা তার। কলেজ শেষে যখন বাসায় ফিরে আসবে তখনই মেইন রোডে বাইক রাখতেই বিশাল একটা ট্রাকের ধাক্কা বাইকে।ছিটকে গেল ছেলেটা,পুরো রাস্তা তার রক্তে রক্তাক্ত। সাথে সাথে মৃত্যু, কেউ ১ সেকেন্ডেরও সময় পায়নি তাকে বাঁচানোর।এই ছিল তার ভবিতব্য। সবকিছু শেষ হয়ে গেল এক মুহূর্তে। পরের ঘটনা আর আমি বললাম না।আপনারাই ভাবুন।যার জীবন বাঁচানোর জন্য এতোকিছু সেই ই নেই,মুহূর্তেই সব শেষ।।।।। #বাংলা
No comments yet