read.cash Log in
H

বাংলার মাটি, বাংলার জল

আমদের সবার অন্তরে একটা গান গেঁথে রয়েছে যা আমরা মনের অজান্তেই অনেক সময়ই গেয়ে থাকি।অন্তরের অন্তস্থল থেকে আসে আমাদের এই গান।গানটি হলঃ "বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক হে ভগবান---------" আরো অনেক লাইন রয়েছে গানটির যা আমাদের শুনতে ভালো লাগে খুব।

বাংলার মাঠে-ঘাটে ছরিয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তার নিজস্ব সুবাস যা সবসময়ই আমাদেরকে মুগ্ধ করে রাখে।বিশেষ করে তার নদী পথগুলো কতই না মনোমুগ্ধকর রুপের।নৌকা পথে নদী পার হতে হতে আমরা যে রুপের ঝলক দেখি বাংলার তা আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। তবে আমার ছোট্ট একটা অভিজ্ঞতার কথায় বলি।কখনো নৌকা/ফেরিতে করে কোথাও যায়নি।হঠাৎ একদিন সুযোগ হলো ফেরিতে করে নদী পার হওয়ার।আমি কখনো ভাবতে পারিনি এতোটা আনন্দ পাবো আমরা সবাই।বিশাল পদ্মা নদী পেরিয়ে যখন মেঘনা নদীতে যাবে ফেরিটা ঠিক তখনই অদ্ভুত একটা পরিবর্তন লক্ষ করলাম।দুই নদীর পানির রং পুরোটাই আলাদা।তাদের ঢেউ মিলছে কিন্তুু পানির রং সেই আলাদাই রয়ে যাচ্ছে।যেনো মনে হচ্ছে পানিগুলো আলাদা করা সম্ভব।ভালো একটা মধুর স্মৃতি হয়ে রয়ে গেছে আমার সেই ভ্রমণটা।

বাংলার রুপের ক্ষেত্রে তার মাঠের কথা না বললেই চলে না।বাংলার মাঠে-ঘাটে কত কাজ লেগেই থাকে কৃষকদের সব সময়।সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ একত্রে বসবাস করে এখানে।হিন্দু ধর্মাবলম্ববীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ চলে এখানে।সবসময় এক উৎসবমুখোর পরিবেশ লেগেই থাকে চারপাশে।আর সবাই সেই উৎসবগুলোকে উপভোগ ও করে থাকে একত্রে।বিশেষ করে বাচ্চাদের আনন্দের কোনো সীমানা থাকেনা। বাংলার বর্ণনা কি এতো সহজে বলে শেষ করা সম্ভব।তা যে অবর্ণনীয়।তার রুপটাকে উপলব্ধি করতে হয়।সবকিছু চোখে দেখে বিচার করা সম্ভব হয়না।জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবসময়ই নতুন নতুন রুপ দেখায় এই বাংলার সুন্দর্য।

Tipped by

Log in Invite-only for now. Someone already here has to let you in.