read.cash Log in
@Hafsa more from that month

ত্রিশালের ঐতিহ্যের লুকায়িত সাক্ষী জমিদার হেমচন্দ্র রায় কুঠি বাড়ি

#ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় লুকায়িত আছে ইতিহাস ঐতিহ্যের নানান সাক্ষী, চোখধাঁধানো আহামরি সৌন্দর্যের বাইরেও রয়েছে দেখা কিংবা জানার মত বিভিন্ন স্থান ও স্থাপনা, ইতিহাসে আগ্রহী কিংবা দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে আসা মানুষদের কাছে যা অবকাশের আহার, তেমনি একটি স্থান হলো ত্রিশালের বইলর ইউনিয়নে অবস্থিত জমিদার হেমচন্দ্র রায় কুঠি বাড়ি। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার সময়ে জমিদার হেমচন্দ্র রায় তার বিশ্বস্ত নায়েব দেবেন্দ্রনাথ সিং কে দিয়ে যায় এই কুঠির দেখভালের দায়িত্ব, পরবর্তীতে নায়েব সাহেব জমিদারের অনুমতি ক্রমে কুটি সহ প্রায় ৫ একর জমি বিক্রি করে যায় তৎকালীন বইলর ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট মোঃ আবুল মহসিন তরফদারের কাছে। বর্তমানে এই ৫ একর জায়গায় রয়েছে জমিদারের দুইতলা বিশিষ্ট কাঠের কুঠি বাড়ি, মেহগনি বাগান, নর্তকী ঘর, চিড়িয়াখানা, দরবার মহল সহ নানান স্থাপনা, বর্তমানে যার বেশীরভাগ স্থাপনা ভেঙ্গে ধ্বংসের পথে। বর্তমানে বাড়িটির দেখাশুনা কেয়ারটেকার মোঃ আব্দুল্লাহ করলেও বাড়িটির মালিকানায় আছেন ইঞ্জিনিয়ার বোরহান উদ্দিন তরফদার, পরিবার সমেত ঢাকায় বসবাস করলেও মাঝেমাঝে তারা ছুটি কাটাতে আসে এখানে। বোরহান উদ্দিন তরফদার ও তার সহধর্মিণী শিল্পি তরফদারের সাথে এই স্থানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বললে তারা জানায় ঐতিহ্য রক্ষায় এই কুঠি বাড়িটি সংস্কারের মধ্যমে এখানে একটি বাংলো বাড়ি করার, যাতে রক্ষা পায় ঐতিহ্যের স্মৃতি এবং ইতিহাস জানতে আগ্রহীরা দেখতে পারে এই ঐতিহ্যাসিক স্থানটি, পাশাপাশি এখানে খামার করার মাধ্যমে একটি মনোরম স্থান বিনির্মানের। যারা জমিদার হেমচন্দ্র রায় কুঠি বাড়িতে ঘুরতে আসতে চান তাদের বইলর মোড় থেকে যেতে হবে ধানিখোলা রোড হয়ে, ধানিখোলা বাজারের একটু আগেই বইলর-ধানিখোলা সম্মেলন মাঠের পাশের রাস্তা দিয়ে সামান্য সামনে এগিয়ে গেলেই দেখতে পাবেন বাড়িটি। প্রাক-ইতিহাস রক্ষায় সংস্কারের মাধ্যমে এই কুটিটি হয়ে উঠতে পারে ত্রিশালের একটি দর্শনীয় স্থান, যারা ঘুরতে আসবে তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে কোন স্থাপনা নষ্ট করবেন না এবং এখানে ময়লা করবেন না, সামিম ভায়ের আইডি থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী বাচাতে আমরাই পারি এর সৌন্দর্য রক্ষা করতে। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে দয়া করে আমাকে সাবস্ক্রাইব করুন।

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.