read.cash Log in
F@Foysal more from that month

মিস ভাড়াটিয়া

গল্পঃ মিস ভাড়াটিয়া পর্বঃ ৯ লেখকঃ অজানা। আমি জয় কে ফোন দিলাম। জয় ফোন রিসীভ করলো। আমিঃ কই তুই? জয়ঃ ক্লাসে আমরা। আমিঃ ওকে থাক আসতাছি। জয়ঃ ওকে। আমাদের কলেজের সামনে একটা দোকান আছে এখানে চলে আসলাম। তারপর একটা সিগারেট দড়িয়ে টানতে লাগলাম। সিগারেট শেষ হলে আমি ক্লাসে চলে গেলাম। ক্লাসে গিয়ে দেখি আমাদের প্রান প্রিয় আবুল স্যার ক্লাস নিতাছে। আমিঃ আসতে পারি স্যার? স্যারঃ আরে স্যার আসেন। আমিঃ হুম। মাথা নিচু করে ক্লাসে ডুকলাম জানি সালায় আজকে আমাকে বাটে পাইছে এতো সহজে ছারবে না। স্যারঃ আরে কই যাচ্ছেন? আমিঃ স্যার বসবো। স্যারঃ আগে সামনে এসে দাড়ান। আমিঃ হুম। স্যারঃ তা এতোদিন কই ছিলেন। আমিঃ স্যার হয়ছে কি? স্যারঃ এটাই ত বলবি তর আম্মুর বাবা মারা গাছে বা তর আব্বুর নানা মারা গেছে। আমিঃ এক্সাকলি স্যার আমার আব্বুর দাদা মারা গেছিলো। গ্রামের বাসায় গিয়ে আটকা পড়ে গেছিলাম। স্যারঃ তর আব্বুর দাদা কইটা? আমিঃ একটা। স্যারঃ তাহলে একজন মানুষ দুইবার মারা যায় কি করে?. আমিঃ ওনি আবার আগে কবে মারা গেলো। স্যারঃ গতো বছর অনেক দিন কলেজে আসছিলি না পড়ে জিঙ্গাস করার পড় এটাই বলছিলি। আমাদের কথা শুনে পুড়ো ক্লাস হেসে উঠলো। স্যারঃ যা বস আর কখনো এমন করবি না। আমিঃ ওকে। তারপর গিয়ে আমি সবার পিছনে চলে গেলাম। এখানে আমার সব বন্ধুরা বসি। পিছনে গিয়ে আমি জয় এর সিটে বসলাম। আমিঃ আমাকে রেখেই ক্লাসে চলে আসছিস? জয়ঃ দোস্ত জানিস ই ত আবুলের ক্লাসে একটু লেট করে আসলেই প্রবলেম। আমিঃ ওকে। তারপর আমি নিধীকে কে খুজতে লাগলাম নিধী দেখি আমাদের দুই বেঞ্চ সামনে বসছে। তারপর মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করলাম। ক্লাস শেষে একজন ডিস্টাপ এসে আমার সামনে দাড়ালো। ইনি হলো মারিয়া আমাদের ক্লাসের ফাস্ট গার্ল কিন্তুু ও নাকি আমাকে ভালোবাসে। মারিয়াঃ এতোদিন কই ছিলা তুমি?। আমিঃ জাহান্নামে। মারিয়াঃ এমন করে কথা বলো কেন? আমিঃ কেমন করে কথা বলবো?। মারিয়াঃ আচ্ছা আমাকে বল্ক করছো কেনো? এখন শুরু হবে এর গ্যনগেনানি কিছু একটা করতে হবে। আমাদের ক্লাসে মুটু একটা ছেলে আছে। ওর নাম সিয়াম। আমিঃ ওই সিয়াম।।।। সিয়ামঃ কি? আমিঃ মারিয়া নাকি তকে ভালোবাসে। সিয়ামঃ সত্যি। আমিঃ হুম তকে বলতে লজ্জা পাচ্ছিলো তাই আমাকে বলে দিতে বললো। আমার কথা শুনে মারিয়া রেগে আগুন হয়ে গেলো। আমাদের ক্লাসের সবাই হাসতে লাগলো আমার কথা শুনে এমন কি নিধী ও। সিয়ামঃ মারিয়া আমাকে তুই সত্যি ভালোবাসিস মারিয়াঃ দাড়া তর ভালোবাসা বাহির করতাছি। মারিয়া অনেক রেগে গেছে আমার এখান থেকে কেটে পড়াই বেটার আমি আস্তে আস্তে ক্লাস রুম থেকে বের হয়ে আসলাম আমার সাথে জয় রানা রাজু আরো কিছু ফ্রেন্ড আসলো। রাজুঃ সালা তুই আর ভালো হবি না। আমিঃ খারাপ ছিলাম কবে। রাজুঃ তাই ত। আমিঃ চল কেন্টিনে যাবো। তারপর আমরা কেন্টিনে চলে গেলাম। আর এদিকে নিধী ওর এক ফ্রেন্ড কে জিঙ্গাস করলো। নিধীঃ আচ্ছা নীল ছেলেটা কেমন? ফ্রেন্ডঃ নীলা খোব ভালো একটা ছেলে। বাট একটু ফাজিল এবং সবার সাথে মজা করতে ভালোবাসে। আর ও মেয়েদের অনেক সম্মান করে। নিধীঃ ওর ত মনে হয় গ্রার্লফ্রেন্ড নেই। ফ্রেন্ডঃ এই যে মারিয়া ওকে অনেক দিন যাবত ভালোবাসে। বাট ও পাত্তাই দেয় না। আরো অনেক প্রপোজ পাইছে ও কাউকে এক্সেপট করে নাই। নিধীঃ কেন? ফ্রেন্ডঃ ওর মনের কাউকে পাইনি তার জন্য। ওর কথা শুনে নিধীর মনটা খারাপ হয়ে গেলো। মারিয়া এতো সুন্দরী তাই ওর প্রপোজ এক্সেপট করে নাই। আমি ত মারিয়ার মতো সুন্দরী না তাহলে ও কি আমাকে ভালোবাসবে। আরো অনেক কথা ভাবতে লাগলো নিধী। আমরা কেন্টিনে চলে গেলাম। আমিঃ দোস্ত তদের একটা কথা বলার ছিলো। জয়ঃ কি কথা? আমিঃ একটা মেয়ে পছন্দ হয়ছে। রাজুঃ জোকস টা দারুন। আমিঃ সত্যি বলতাছি। রানাঃ মেয়েটা কে? আমিঃ নিধী। জয়ঃ সত্যি। আমিঃ হুম।। রানাঃ যাক অবশেষে ত তর কাউকে পছন্দ হলো।। আমিঃ হুম। জয়ঃ তাহলে ট্রিট হয়ে যাক মামা। আমিঃ কিসের ট্রিট? রানাঃ তর মেয়ে পছন্দ হয়ছে। আমিঃ আগে প্রেম টা হক তারপর। জয়ঃ না এখনি লাগবে। তারপর আর কি না খাওয়ালে ত ছারবে না। তারপর ওদের ট্রিট দিলাম। একটুপর আমার ফোনে একটা কল আসলো। আমি ফোন হাতে নিয়ে দেখি আননোন নাম্বার তাই আমি রিসীভ করলাম না। আবার ও ফোন আসলো একি নাম্বার থেকে। এবার রিসীভ করলাম। আমিঃ আসসালামু ওয়ালাইকুম ওপাশ থেকেঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম। আমিঃ কে আপনি? ওপাশ থেকেঃ আমি,,,, #চলবে collected

No comments yet

Log in to join in Reading is open to everyone. Replying needs an account.