পরিবার মানে
সংসার মানে শুধু সারাদিন কাজ শেষে বউয়ের হাতে রান্না খাওয়া না। ঘরটা তুমি সামলাও বাহিরটা আমি দেখবো বলে ভরসা দেওয়া। সংসার মানে মাঝ রাতে বীর্য স্ফলনের পর মুখ ফিরিয়ে প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে উল্টো ফিরে ঘুমিয়ে যাওয়া নয়। সংসার মানে বীর্য স্ফলনের পর কপালে চুমু খেয়ে ভীষণ ভালোবাসি বুঝিয়ে দেওয়া। যৌণির বাহিরে বুকের তিন ইঞ্চি গভীরে একটা হৃদপিন্ড থাকে, সেখানের ভালোবাসা আর চাহিদা বুঝে নিতে হয়। সংসার মানে শুধু মাস শেষে বেতনের টাকা তুলে দিয়ে আহার নিশ্চিৎ করে দেওয়া নয়। সংসার মানে- তুমি কেমন আছো?.. জানতে চেয়ে বোকার মত খিক করে হেসে দেওয়া। সংসার মানে শুধু অফিস ফিরে একপাতা মিনি'কন কিনে পাইজামা খুলে ফেলা নয়, সংসার মানে তোমার অস্তিত্ব আমায় ঘিরে রাখে। সংসার মানে, শেষ বেলায় অফিস ফিরে একপাতা কালো টিপ মানুষটির হাতে তুলে দিয়ে ভালোবাসার আস্ত একটা জমি বন্দোবস্ত করে নেওয়া। তুমি সাঁজলে চাঁদের ঈর্ষা হয় বলে ভালোবাসায় ঢং ছিটিয়ে দেওয়া। চুল সরিয়ে নোনতা পিঠে চুমু খাওয়াটাই সংসার নয়। সংসার মানে তুমি কাঁদলে আমি সহস্রবার মরে যাই.... সংসারে অনেক খারাপ সময় আসে, জীবন মানে- সংকেত বিহীন দূর্যোগ... আর এই দূর্যোগের ভিতরে দু'হাত চেপে ধরে বলতে হয় ভালোবাসি; তুমি হাসলে আমি হারিয়ে যাই, দেখবেন বিধ্বস্ত পৃথিবীর এক টুকরো জমিনে দাঁড়িয়ে মানুষটি ইশ্বরের কাছে আপনাকে চাইবে। যৌণতা আর টাকার বাহিরে একটা বিশুদ্ধ ভালোবাসার মন থাকে, সেটার যত্ন নিতে হয়। মনে ধুলো জমলে সংসার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ঝাঁপসা আয়নায় চেহারা দেখা যায়না, নরম কাপড়ে মুঁছে নিতে হয়। ঊর্বর শরীর আর বস্তা বস্তা টাকায় যদি ভালোবাসা আর সুখ থাকতো, তাহলে খ্যাতি প্রাচুর্যের মাঝে থেকেও দুনিয়া বাঘা বাঘা সফলদের আত্মহত্যার গল্প ছাপা হতো না। পাশের বাড়ির ভাবির দুষ্ট চোখে মিষ্টি হাসির কয়েক'শ গল্প লেখা হতো না।
No comments yet