কুসংস্কার
আমি আজকে এমন একটা জিনিস শেয়ার করতে চাই যা কম-বেশি সবাই মানে।।সেটা হলো কুসংস্কার।আজকে এমনই কিছু কুসংস্কার এর কথা বলবো।
*দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নেই। ● পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে। ● আঙ্গুলের ইশারায় কবর দেখালে সেই আঙ্গুল পঁচে যায়। ● নতুন বউকে শ্বশুর বাড়িতে নরম স্থানে বসতে দিলে বউয়ের মেজাজ নরম থাকে। ● বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ ‘সদকা’করতে হয়। ● কুকুরকে পা দিয়ে বাড়িতে গর্ত করতে দেখলে কারো মৃত্যুর আশঙ্কা আছে, এটা মনে করা। ● জোড়া কলা খেলে জমজ সন্তান জন্ম নেয়। ● রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি গোফ ইত্যাদি কাটতে নেই। ● প্রথম সন্তান মারা গেলে পরের সন্তানের কান ফুটো করে দিতে হয়, তাতে সে দীর্ঘ হায়াত পায়। ● ভাই-বোন মিলে মুরগি জবাই করা যায় না। ● ঘরের ময়লা পানি রাতে ঘরের বাইরে ফেলতে হয় না, তাতে সংসারে অমঙ্গল হয়। ● ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে ডাক দিলে তার যাত্রা অশুভ হয়। ● ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হয়। ● কোরআন শরিফ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল ‘সদকা’করতে হয়, না হলে মাথার চুল উঠে যায়। ● ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে তা ইঁদুরের গর্তে ফেলতে হয়, না হলে দাঁত আঁকাবাঁকা হয়। ● ভাঙ্গা কুলায় লাথি মারলে জমির ফসল কমে যায়। ● গর্ভবর্তী মহিলাকে এক কাতে শয়ন করতে নেই। এতে বাচ্চা প্রতিবন্ধী হয়। ● ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পেছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ; তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয় বা যাত্রা অশুভ হয়। ● রাতে বাঁশ কাটা যাবে না। ● রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া ও ফল তোলা নিষেধ।
4 comments
Right.. dear
Thanks for your cmt
তথ্যমূলক আর্টিকেল। আমাদের সমাজে এখনও এই রকম অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে যা আমাদের ধীরে ধীরে বাদ দেওয়া উচিত
কুসংস্কার তো একটা দিন বাদ হবেই।কিন্তু কিছু সময়ের অপেক্ষা